চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে ৩ হাজার কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্প শিগগিরই সরকারের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অবহেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে বর্তমান প্রশাসন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সোহরাওয়ার্দী হলের স্পোর্টস রুমে নবনির্মিত রিডিং রুম উদ্বোধন এবং হলের চলমান সংস্কারমূলক কাজ পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও সোহরাওয়ার্দী হল রিডিং রুম বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. এ. এম. মাসুদুল আজাদ চৌধুরী এবং চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি। সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি নিয়ামত উল্ল্যাহ ফারাবির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট ও সোহরাওয়ার্দী হল ছাত্রসংসদের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান বলেন, আমরা ৩ হাজার কোটি টাকার একটি প্রজেক্ট তৈরি করেছি। সেটা খুব শীঘ্রই সরকারের কাছে পাঠানো হবে।
তবে এসব কাজ করার জন্য আমাদেরকে সময় দিতে হবে। আমরা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাব। এখানে যত ছাত্র সংগঠন বা ছাত্র নেতারা রয়েছে এবং প্রশাসন দুই পক্ষের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের কল্যাণ করা। তাই দুই পক্ষের সমন্বয় ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সমস্যা হলো আবাসন সমস্যা। জুলাই আন্দোলনের পর থেকে আমরা শুনে আসছি ১০টি নতুন হল নির্মাণ করার জন্য প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।
আশা করি এই হলগুলোর নির্মাণকাজের বিষয়ে প্রশাসন উদ্যোগী হবেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপাচার্যসহ অতিথিরা সোহরাওয়ার্দী হলের নবনির্মিত রিডিং রুম উদ্বোধন করেন। পরে তারা হলের চলমান সংস্কারমূলক কাজ পরিদর্শন করেন।











