বোয়ালখালীতে রুমা আক্তার সীমা (২৬) ও সীতাকুণ্ডে ইসরাত জাহান সামিয়া (১৯) নামে দুই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বোয়ালখালী প্রতিনিধি জানান, গত শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে উপজেলার কধুরখীল ইউনিয়নের শরীফপাড়ার আলী চাঁন তালুকদার বাড়ি থেকে রুমা আক্তার সীমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি শরীফপাড়ার প্রবাসী জানে আলমের স্ত্রী। তাদের সংসারে ৭ বছর বয়সী ১ ছেলে ও ২ বছর বয়সী ১ মেয়ে রয়েছে। নিহতের ভাই সাকিব বলেন, তার বোনের স্বামী প্রবাসে রয়েছেন। শ্বশুরের আগের স্ত্রী মারা যাওয়া দ্বিতীয় বিবাহ করেন। তারা দুইজনে মিলে সীমাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলো দীর্ঘদিন ধরে।
বোয়ালখালী থানার ওসি মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
এদিকে, সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি জানান, পৌরসভাস্থ এলাকা থেকে ইসরাত জাহান সামিয়া (১৯) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গত শুক্রবার রাতে পৌরসদরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফকিরহাট নলুয়াপাড়া গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সামিয়া ওই গ্রামের প্রবাসী মোহাম্মদ বাহার উদ্দিন শাহিনের স্ত্রী ও সীতাকুণ্ড উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের পূর্ব সৈয়দপুর গ্রামের আলী আকবরের মেয়ে। নিহতের চাচা জানান, এক বছর আগে পারিবারিকভাবে সামিয়ার বিবাহ হয়। গত এক সপ্তাহ আগে সামিয়া বাবার বাড়ি বেড়ানো শেষে দুই দিন আগে স্বামীর বাড়িতে যান। স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে শ্বশুর শাশুড়ীর সাথে খাবারও খেয়েছেন। পারিবারিক কলহের বিষয়ে জানা নেই আমাদের। ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার এসআই শফিউল করিম বলেন, গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।











