চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও স্মার্ট নগরী গড়তে তরুণ প্রজন্মের মেধা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও দেশপ্রেমই সবচেয়ে বড় শক্তি। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা এবং বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাধারা ভবিষ্যতের টেকসই নগর বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সবাই মিলে চট্টগ্রামকে সেফ অ্যান্ড স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি গতকাল বুধবার অপর্ণাচরণ সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে সেন্সরভিত্তিক আলোকব্যবস্থার মতো বাস্তবসম্মত ধারণা উপস্থাপন করেছে। এছাড়া বিদ্যালয়ে স্থাপিত আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস প্রদানের কাজও করছে, যা তাদের বিজ্ঞানমনস্কতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি আগামী বছর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শিক্ষা কার্যক্রমের শতবর্ষ উদযাপনের বিষয় উল্লেখ করে বলেন, অপর্ণাচরণ সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে লেখাপড়ার মান ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে যে অবদান তা আমাদের জন্য একটি উদাহরণ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চসিক প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাউশি চট্টগ্রামের পরিচালক প্রফেসর ফজলুল কাদের চৌধুরী, চসিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমা বিনতে আমিন, থিয়েটার ইনস্টিটিউটের পরিচালক ওসমান গণি চৌধুরী (অভীক উসমান)। অতিথি ছিলেন গভর্নিং বডির সদস্য এম এ মালেক, গভর্নিং বডির সদস্য মোহাম্মদ আলী মিঠু, ইঞ্জিনিয়ার প্রবাল রক্ষিত, ইসমাইল হোসেন বালি, মনজুর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ মহসিন,্ব জাকির হোসেন, আর কে লিটন, অধ্যক্ষ শাহেদুল কবির চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল। প্রভাষক পূরবী চক্রবর্তী, গৌরী দাস ও সুদীপ্তা বড়ুয়ার সঞ্চালনায় সভায় স্কুল ও কলেজের ১০ জন শিক্ষককে সম্মাননা ও ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ইভেন্টে পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











