চমেক হাসপাতাল এলাকায় রোগী ও মৃত ব্যক্তি ঘিরে সৃষ্টি হওয়া অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এতে ২০ থেকে ৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। গতকাল রোববার পাঁচলাইশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফ উদ্দিন সরদার বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। এতে দণ্ডবিধির বেআইনি জনতা, অবরোধ, মারধর, চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও হুমকির ধারা এবং সড়ক পরিবহন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, চমেক হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় একটি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট রোগী ও মৃত ব্যক্তির স্বজনদের কাছ থেকে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া আদায় করে আসছে। বাইরের বৈধ অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য গাড়ি হাসপাতাল চত্বরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। এমনকি ফিটনেস ও রুট পারমিটবিহীন সাধারণ মাইক্রোবাসে নীল বাতি ও সাইরেন লাগিয়ে অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় সিন্ডিকেট কর্তৃক রোগী ও মৃত ব্যক্তির স্বজনদের নানাভাবে হয়রানির বিষয়টি সম্প্রতি চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নজরে আসে। চট্টগ্রাম মহানগরীর জাস্টিস অব দ্য পিস হিসেবে ৮ জুন তিনি উক্ত সিন্ডিকেট নির্মূলে ৮ দফা প্রশাসনিক আদেশ জারি করেন। এতে সিন্ডিকেট বিষয়ে তদন্ত করে ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে মামলা দায়ের করতে পাঁচলাইশ থানার ওসিকে নির্দেশ দিতে সিএমপির উত্তর জোনের অতিরিক্ত উপ–কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তদন্ত শেষে গতকাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। পাশাপাশি পাঁচলাইশ থানার ওসিকে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন তদন্ত কর্মকর্তা ও উত্তর জোনের উপকমিশনার।
আদালত ও থানা সূত্র জানায়, উপ–কমিশনারের উক্ত নির্দেশনার প্রেক্ষিতে গতকাল এসআই মো. আশরাফ উদ্দিন সরদার বাদী হয়ে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। এতে ৭ জুন বিকালে চমেক হাসপাতাল পূর্ব গেটের ভেতরে এনসিপির মানববন্ধনে হামলা করে কয়েকজনকে আহত করার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।












