চবি ১ নং রেল গেইট সংলগ্ন কমিউনিটি সেন্টারে, গাউসিয়া কমিটি উত্তর জেলা আয়োজিত দাওয়াতে খায়র ইজতিমা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মুফতি সৈয়দ অছিয়র রহমান বলেন, আহলে বাইতের ভালোবাসার আড়ালে ইদানীং সাহাবায়ে কেরামের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনার ফাঁদ পাতা হয়েছে। খোলাফায়ে রাশেদার ক্রমধারা হযরত আবু বকর সিদ্দিক, হযরত ওমর ফারুক, হযরত ওসমান গনি এবং মাওলা আলী (রা)’র খেলাফতের এই ধারাবাহিকতা অমান্যকারীরা আহলে সুন্নাত থেকে বিচ্যুত, বাতিল এবং মুনাফিক। সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন, তবে তাবেঈন, হানাফি, শাফেঈ, মালেকী, হাম্বলি সব মাজহাবের ইমাম এবং ত্বরিকতসমূহের সব ইমাম এমনকি বিখ্যাত সূফিজনের সকলেই এই ক্রমধারারই সমর্থক এবং অনুসারী ছিলেন। সুতরাং এর বাইরে যাওয়া নিঃসন্দেহে পথভ্রষ্টতা।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দাওয়াতে খায়র স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য পেয়ার মোহাম্মদ। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশ্নের উত্তর দেন, মুফতি কাজী মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ। উপস্থিত ছিলেন মাহবুব সাফা, জামাল পাশা, অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল আউয়াল, ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আমিন, গাজী লোকমান, মাওলানা নঈমুল হক নঈমী, আবু ইউসুফ চৌধুরী, সেকান্দর চৌধুরী, আলী আকবর মিরণ, দক্ষিণ জেলার মাওলানা ওবায়দুল হক হক্কানি, শেখ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, নুরুল ইসলাম মুনশি, বায়েজিদ থানার আহবায়ক মাওলানা শেখ মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, দক্ষিণের মোহাম্মদ মোজাফফর। বিষয় ভিত্তিক আলোচনা করেন অধ্যাপক সৈয়দ জালাল উদ্দীন আল আজহারী, আনজুমান রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক আল্লামা আবদুল মান্নান, পরিচালক মাওলানা আবুল হাশেম এবং স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সচিব মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার। ইজতিমা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা ইয়াসিন হোসাইন হায়দরীর সভাপতিত্বে এবং সচিব মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ আবু সাঈদ ও মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল খালেকের যৌথ উপস্থাপনায় এই ইজতিমায় গাউসিয়া কমিটি, উত্তর জেলাধীন প্রতিটি সাংগঠনিক উপজেলার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাসহ আওতাধীন ইউনিয়ন –ইউনিট স্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মুয়াল্লিমগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।









