গ্রুপ পর্বে নেইমারকে খেলিয়ে ঝুঁকি নিতে চায় না দল

স্পোর্টস ডেস্ক | শনিবার , ১৩ জুন, ২০২৬ at ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ১৪ জুন বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে টুর্নামেন্টের শুরুতেই বড় দুশ্চিন্তার নাম নেইমার জুনিয়র। দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এই তারকা এখনো সতীর্থদের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মাঠের অনুশীলন শুরু করতে পারেননি। শুক্রবার ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের (সিবিএফ) বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম ও গ্লোবো জানিয়েছে, গ্রুপ পর্বে নেইমারকে খেলিয়ে কোনো ধরনের বাড়তি ঝুঁকি নিতে চায় না দল। একই সঙ্গে তার চোটের অবস্থা এবং মাঠে ফেরার সম্ভাবনা নিয়েও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে গণমাধ্যমটি। বিশ্বকাপের ‘সি’ গ্রুপে ব্রাজিলের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

তবে গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলোতেও নেইমারকে পাওয়া যাবে কি না, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিত কোনো বার্তা দিতে পারেনি ও গ্লোবো। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ১৭ জুন সিবিএফের মেডিকেল বিভাগের নির্ধারিত তিন সপ্তাহের পুনর্বাসন সময়সীমা শেষ হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ১৯ জুন হাইতির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নতুন মেডিকেল পরীক্ষার পরও কোচিং স্টাফ আগের অবস্থানেই রয়েছে। নেইমারকে স্কোয়াডে রাখা হলেও তাকে দ্রুত মাঠে নামিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি নয় দলীয় ব্যবস্থাপনা। ব্রাজিলের মূল লক্ষ্য হলো নকআউট পর্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর জন্য নেইমারকে শতভাগ ফিট করে তোলা। সে কারণে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে গ্রুপ পর্বে তাকে বিশ্রাম দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এদিকে চলতি সপ্তাহে করা সর্বশেষ পরীক্ষায় নেইমারের কাফ ইনজুরির উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে। তবে বল পায়ে মাঠে ফেরার আগে তাকে আরও নিবিড় ফিটনেস ট্রেনিং সম্পন্ন করতে হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। দলের প্রধান চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমার জানিয়েছেন, নেইমারের দ্রুত সুস্থতার জন্য আধুনিক চিকিৎসার সব ধরনের পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হলো তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় মাঠে ফেরানো। ও গ্লোবোর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নেইমারকে দলে অন্তর্ভুক্ত করার সময় থেকেই কোচ কার্লো আনচেলত্তি এবং সিবিএফ জানত যে তার চোটটি সাধারণ নয়। এ কারণে অন্তত এক মাস মাঠের বাইরে থাকার সম্ভাবনাও শুরু থেকেই বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। এখন ব্রাজিল শিবিরের আশা, তাড়াহুড়ো না করে পরিকল্পিত পুনর্বাসনের মাধ্যমে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ পর্বগুলোতে দলের অন্যতম সেরা তারকাকে পুরোপুরি ফিট অবস্থায় পাওয়া যাবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধউদ্বোধনী ম্যাচে তিন লাল কার্ড
পরবর্তী নিবন্ধচেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপে শুভ সূচনা দক্ষিণ কোরিয়ার