সিডিএ কর্ণফুলী হাউজিং সোসাইটি প্রকল্পে পাঁচতলা বিশিষ্ট আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন জামে মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের উন্নয়ন ও নগরায়ণের স্বার্থে শাহ আমানত সেতুর টোল প্রত্যাহারে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আবাসিক প্লট মালিকরা। গতকাল রোববার সকালে নগরের আন্দরকিল্লায় সিডিএ কর্ণফুলী আবাসিক প্লট মালিক কল্যাণ সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সিনিয়র সহ–সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান।
সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ৩৩ বছর পর সিডিএ কর্ণফুলী হাউজিং প্রকল্পে পানি সংযোগসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বহুতল ভবন ও জামে মসজিদ নির্মাণের প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। প্রকল্পের সার্বিক উন্নয়ন ও বাস্তবায়নে সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে কর্ণফুলী নদী পারাপারে শাহ আমানত সেতুর টোল নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে তারা দাবি করেন। সভায় প্রকল্পে একটি পূর্ণাঙ্গ মসজিদ বাস্তবায়নে সর্বসম্মতিক্রমে ৫০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এতে অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসানকে সভাপতি, অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হোসেনকে প্রধান উপদেষ্টা এবং আলহাজ মোহাম্মদ ইয়াছিনকে প্রধান সমন্বয়কারী করা হয়েছে। মসজিদ নির্মাণ তহবিল গঠনের লক্ষ্যে সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে মোট ২৮ লাখ ২০ হাজার টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন। সভায় জানানো হয়, মসজিদের জন্য প্রায় ১৯ গণ্ডা (২৩ কাঠা) জমি ইতোমধ্যে সমিতির নামে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে এবং পাঁচতলা জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের নকশা ও অনুমোদনও পাওয়া গেছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে সিডিএ চেয়ারম্যানের সম্মতিক্রমে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হবে।












