বাংলাদেশি পেসারদের উত্থানের একটা অংশ ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যালান ডোনাল্ড। সাবেক এই পেস বোলিং কোচের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ আছে তাসকিনদের। সম্পর্কটা এখন আর পেশাদার না হলেও অনেকটা ব্যক্তিগত খাতিরেই গুরুর খোঁজ–খবর নেন বাংলাদেশি পেসারদের অনেকেই। আর তাতেই মুগ্ধ এই প্রোটিয়া কোচ। সমপ্রতি এক পডকাস্টে ডোনাল্ড বলেন, ‘আমাদের এখনো একটা গ্রুপ আছে। ২০২৩ সালে ভারতে ক্রিকেট বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর আমি যখন চলে আসি, তখন বলেছিলাম যে আমি এই গ্রুপটা রিমুভ করব না। তোমাদের যখনই দরকার হবে আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য এটি থাকবে। আমি মাঝেমধ্যেই তোমাদের খোঁজ–খবর নেব। তো তারা সবাই সেখানে আছে।’ ‘এই ৩–৪ বছর সময় ধরে এই গ্রুপটা যেভাবে বড় হয়েছে, তা দেখা সত্যিই দারুণ এক অনুভূতি। এটা দেখা চমৎকার, আর তাসকিন আহমেদ বেশ ভালোভাবে এর নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমাদের এখনো কথা হয়। আমি মাঝেমধ্যে ওদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলি। সাধারণ বিষয়, স্বাস্থ্য এবং পরিবার নিয়ে আমাদের ভিডিওতেও কথা হয়। বাংলাদেশের তরুণদের একটা বিষয় আমাকে সত্যিই ছুঁয়ে গেছে, তা হলো তারা কতটা আন্তরিক এবং পারিবারিক মূল্যবোধসম্পন্ন।’–যোগ করেন তিনি। সমপ্রতি ঘরের মাঠেও পেস বান্ধব উইকেট বানানোর চেষ্টা করছে বিসিবি। ফলে সদ্য সমাপ্ত পাকিস্তান সিরিজেও দেখা গেছে পেসারদের দাপট। লাল বলে তাসকিনদের এমন পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ডোনাল্ড, ‘আমার মনে হয় টেস্ট ক্রিকেটই একমাত্র জায়গা যা আপনাকে সেই উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। বর্তমান সময়ে সাদা বলের খেলাটা পুরোপুরি অবিশ্বাস্য দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল এবং এটি অত্যন্ত কঠিন। এখানে ভুলের মার্জিন প্রায় শূন্যের কোঠায়।’ ‘আমার মনে হয় টেস্ট ক্রিকেটই সম্ভবত একমাত্র জায়গা যেখানে আপনি যেতে পারেন। সাদা বলের খেলায় আপনি হয়তো দু–একটি এমন ওভার বা স্পেল পাবেন যেখানে আপনি সেই রোমাঞ্চ অনুভব করবেন এবং কারো সাথে দ্বৈরথে জড়াবেন, তবে আমার কাছে টেস্ট ক্রিকেটই হলো আসল যুদ্ধক্ষেত্র যেখানে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারবেন।’–যোগ করেন তিনি।












