ফটিকছড়িতে এক যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার বিষয়টিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বা স্ট্রোক বলে দাবি করলেও স্থানীয় পর্যায়ে এটি আত্মহত্যা হতে পারে এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। গতকাল দুপুরে উপজেলার ভূজপুর ইউপির মির্জাহাট বাজারে পৈত্রিক মুদির দোকান থেকে জুয়েল আরমান (৩১) নামে এক নববিবাহিত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, ওই যুবক দোকানের ভেতর স্ট্রোক করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তিনি আগে থেকেই শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং স্ট্রোকের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে স্থানীয় কিছু প্রত্যক্ষদর্শী ও ব্যবসায়ীদের বরাতে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাদের মতে, মৃত্যুর ঘটনাটি রহস্যজনক এবং এটি আত্মহত্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জানা যায়, জুয়েল আরমান সম্প্রতি বিয়ে করেছেন এবং তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। তিনি উপজেলার নারায়ণহাট ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইদিলপুর বড় বাড়ির জহুরুল ইসলামের ছেলে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক নানা কলহের কারণে জুয়েল আরমান কিছুদিন ধরে চরম হতাশায় ভুগছিলেন। দুপুরের দিকে দোকানের এক কর্মচারী দোকানে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভূজপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে ভূজপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বিপুল চন্দ্র বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। কিন্তু ততক্ষণে পরিবার লাশ দাফন করে ফেলেছে। তাই স্ট্রোক নাকি আত্মহত্যা এ বিষয়টি নিশ্চিত বলতে পারছি না। পরিবারের দাবি, তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন। তবে তারা চিকিৎসকের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।













