দেশে একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪১৫ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদেশে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬৫ জনের। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ৩৫০ জন মারা গেছে। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। তাতে করে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৯৩৭ জনে। এ সময়ে নতুন করে ১৩৪১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। তাতে করে মোট উপসর্গ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৫০০ জনে। খবর বিডিনিউজের।
এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ১৪১ জন ঢাকায় মারা গেছেন; আর ৭৮ জন রাজশাহী বিভাগের। আর হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা যাওয়া ৬৫ জনের মধ্যে ৪১ জনই ঢাকা বিভাগের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত একদিনে হাম ও উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৭১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এসময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ১১৩০ জন। গেল ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি ৪৫৪ জন ভর্তি হয়েছে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে। আর সবচেয়ে কম ২২ জন ভর্তি হয়েছে রংপুরে।
চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশে হামের প্রকোপ দেখা দেয়। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে তা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোগটি নিয়ে পরিসংখ্যান ও তথ্যউপাত্ত সংরক্ষণ শুরু করে। এর মধ্যে হাম ও উপসর্গ নিয়ে চার শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত ২০ বছরে হামে এতো মৃত্যু দেখেনি বাংলাদেশ। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুসারে, ২০০৫ সালে ২৫ হাজারের বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছিল এবং ১০০ জনের বেশি শিশু মারা গিয়েছিল।














