কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন থেকে উপকূলীয় সাতটি ইউনিয়নকে পৃথক করে নতুন করে ‘মাতামুহুরী উপজেলা’ অনুমোদনের খবরে আনন্দ–উচ্ছ্বাসে ভেসে যাচ্ছেন স্থানীয়রা। নিকার চূড়ান্ত অনুমোদনের মধ্য দিয়ে নতুন ‘মাতামুহুরী উপজেলা’য় প্রশাসনিক বিকেন্দ্রিকরণসহ জনগণের দোরগোড়ায় সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে অভিমত বোদ্ধামহলের। এদিকে মাতামুহুরী থানাও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়ে গেছে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে। বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার–১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২০তম সভায় ‘মাতামুহুরী উপজেলা’ বাস্তবায়নের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উপকূলীয় সাতটি ইউনিয়ন তথা সাহারবিল, পশ্চিম বড় ভেওলা, পূর্ব বড় ভেওলা, ঢেমুশিয়া, কোনাখালী, বিএমচর ও বদরখালী নিয়ে নতুন এই ‘মাতামুহুরী উপজেলা’ বাস্তবায়ন হতে চলেছে। একইসাথে পেকুয়া সদরকে পেকুয়া পৌরসভায় রূপান্তর করতে চূড়ান্ত গেজেট নোটিফিকেশন জারি করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। বর্তমানে পেকুয়া সদর এখন পেকুয়া পৌরসভা হিসেবেও অভিহিত হচ্ছে।
অপরদিকে চকরিয়া উপজেলার বর্তমান বিদ্যমান বরইতলী ইউনিয়ন ভেঙে নতুন করে পহরচাঁদা, হারবাং ইউনিয়ন ভেঙে উত্তর হারবাং এবং ডুলাহাজারা ইউনিয়ন ভেঙে নতুন করে মালুমঘাট ইউনিয়নে রূপান্তর করার নিমিত্তে প্রশাসনিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রমও শতভাগ সম্পন্ন করা হয়েছে। অচিরেই গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে যাবে নতুন এই তিনটি ইউনিয়ন রূপান্তরের কাজ।
সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী সরকার দলীয় (বিএনপি) স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্বাচনী ইশতেহারেও সেই দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে সেই জনদাবি পূরণ হতে চলেছে। এতে এসব এলাকার মানুষের মাঝে খুশির আমেজ পরিলক্ষিত হয়েছে।












