ভূত যখন কায়াহীন ছায়ায়

ওবায়দুল করিম | বৃহস্পতিবার , ৭ মে, ২০২৬ at ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ

() ইউরোপ ভূত দেখেছিল, কমিউনিজমের ভূত। ঊনবিংশ শতকে এই ভূতের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন তাবৎ মার্কস বিরোধীরা। এখনও করছেন, মার্কসের বিরুদ্ধে। লেনিন উত্তর সোভিয়েট ইউনিয়ন ও চীনের কমিউনিস্টরা মার্কসকে কায়াহীন ছায়া করে রেখেছিল। কায়া না থাকলে ছায়া থাকে না। হয়েছেও তাই। সোভিয়েট গেলো তো গেলো কমিউনিজম ও কমিউনিস্ট দল, উপদলগুলো।

() বিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব, সামাজিক পরিবর্তন বা উল্লম্ফনের ফলে অপসৃত হয় না। মার্কস একজন সমাজবিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ, দার্শনিক। আমরা তাঁকে বিংশ শতকে হাজির করলাম মূলত রাজনীতিক হিসেবে। সোভিয়েট ইউনিয়নের নেতৃত্বে কমিনটার্ন (কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল, কমিউনিস্ট পার্টিগুলোর আন্তর্জাতিক সংস্থা), ক্রুশ্চেভ আমল থেকেই উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখবার জন্য অধনবাদী তত্ত্বের প্রচার করতে শুরু করে। রাজনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর কমিউনিস্টদের ক্ষমতাসীনদের অধনবাদী পথের সহযাত্রী হওয়ার পন্থা বাতলায়। রাজনীতিতে এই নিয়ন্ত্রণের জন্য মার্কসের একাডেমিক অবদানকে বদলাতে এবং বিকৃত করতে শুরু করে।

() সমাজতত্ত্ব বা সমাজবিজ্ঞানে ‘বিবর্তনবাদ’ বলে একটি শক্তিশালী মতবাদ আছে। মোদ্দা কোথায় এই বিবর্তনবাদ হলো, সামাজিক পরিবর্তন হয়, বিবর্তনের মধ্য দিয়ে। এই ‘বিবর্তনবাদ ’ তিনটি বিভক্ত চিন্তা আছে। প্রথমটি হলো বা একরৈখিক মতবাদ। এঁরা বলছেন, পৃথিবীর সবদেশকেই পরিবর্তনের অবশ্যম্ভাবী সামাজিক স্তর অতিক্রম করতে হবে। ইউরোপ যদি, কৌম সমাজ, দাস, সামন্ত ও পুঁজিবাদী সমাজ অতিক্রম করে, তাহলে ভারত, চীনা ও অন্যান্য সমাজকেও অবশ্যই এই ক্রম সামাজিক ধাপগুলো অতিক্রম করতে হবে। কোন অবস্থাতেই সামাজিক পরিবর্তনের কোন ধাপ বা স্তরকেই bypass করা যাবে না। এই তত্ত্ব মানলে, কমিনটার্ন বা সোভিয়েট নেতৃত্বে আধিপত্য, উন্নয়নশীল দেশের কমিউনিস্টদের উপর বহাল থাকে। তাঁরা সোভিয়েটের সামাজিক পরিবর্তনের ধাপগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অনুসরণ করতে বলেন। এটা বলা শুধু কমিউনিস্ট নয়, জাতীয়তাবাদী দলগুলোকেও প্রভাব বলয়ে রাখবার চেষ্টা। মিশরের নাসের, লিবিয়ার গাদ্দাফী ও ইরাকের সাদ্দাম ও তাঁদের দলকেও এই মতবাদের প্রয়োগের আওতায় আনে। তবে মার্কসবাদের নামে হলেও মার্কসের কোন পাঠেই এই একরৈখিক বিবর্তনের বর্ণনা নেই। মার্কসের মূল পাঠের এমন বিকৃতি, একধরনের রাষ্ট্রীয় হেজিমনির ফল। মার্কস, তাঁর German Ldeology তে প্রাচীন সমাজে কৌম উৎপাদন ব্যবস্থার কথা বলেন অথচ কমিনটার্ন একে আদিম সাম্যবাদী উৎপাদন ব্যবস্থা বলে উল্লেখ করে। এর সাথে পাশ্চাত্যে কৌম সমাজের পরে দাস, সামন্ত ও পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার কথা বলেন এবং ভারতীয় সমাজের ক্ষেত্রে দীর্ঘকালের অপরিবর্তনশীল এশীয় উৎপাদন ব্যবস্থার কথা বলেন। তিনি এই ধারণা আরেক জার্মান সমাজবিজ্ঞানী কার্ল উইটফোগেল থেকে নেন। বছরের নির্দিষ্ট ঋতুতেবর্ষায়বর্ষণের পানিতে সারা বছরের চাষের সমস্যা হতো। কৃষকের সেচকে নিয়ন্ত্রণের জন্য রাষ্ট্রের গ্রামের সমপ্রদায় বা গোষ্ঠীর সেচ নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ত্ব স্বৈরাচারী ব্যবস্থার জন্ম দেয়। যাকে আবার Oriental despotiomবর্ণনা করেন। বিবর্তনবাদের একরৈখিক বর্ণনার বিপরীতমুখী ভাষ্য হলো, এই। তো, মার্কসের এই ব্যাখ্যা, বিবর্তনবাদের বহুরৈখিক বা multilinear approach কে অনুমোদন দেয়। বহুরৈখিক বিবর্তনবাদ হলো, যাঁরা মনে করেন, পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সামাজিকঅর্থনৈতিক ব্যবস্থার জন্ম হয়। এঁদের উন্নয়ন বা পরিবর্তনের ধারা অন্য সমাজ থেকে পৃথক। প্রত্যেক সমাজের বিবর্তন বহাল থাকলেও, উন্নয়নের ধারা সবার জন্য এক নয়। এই হলো বহুরৈখিক মতবাদের মূল বৈশিষ্ট্য।

কার্ল মার্কস বা অন্য কোন সমাজবিজ্ঞানী নিজেকে বহুরৈখিক মতবাদী বলে উল্লেখ করেননি। সমাজতত্ত্বে টেক্সট বা পাঠ্য আলোচনায় এই মতবাদের সূচনা হয় এবং তত্ত্বের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন মতবাদে অভিষিক্ত হন। অথচ, কমিউনিস্ট রাজনীতিকরা তাঁকে একরৈখিক মতবাদী বানিয়ে ফেলেন, শুধুমাত্র রাজনীতিকে সমাজবিজ্ঞানের উপরে স্থান দেওয়ার কারণে।

() সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর নাজমুল করিম, সমাজতত্ত্ব স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে উদ্ভবের চারটি কারণের উল্লেখ করেন। এগুলোর একটি হলো, ইতিহাসের দর্শনযার উদ্গাতা ছিলেন ইবনে খালদুন। প্রায় সমার্থক ধারণা নিয়ে আসেন কার্ল মার্কস। Matearialist Interpetation of History বা Historical Materialismবা ঐতিহাসিক বস্তুবাদ। প্রচলিত ইতিহাস হচ্ছে, বর্ণনামূলক। রাজাবাদশাহদের উত্থান আর পতনের কালানুক্রমিক বর্ণনা। এমনতরো বর্ণনা, ধারণা দেয়, ব্যক্তির ভূমিকাই ইতিহাসের ঘটনাবলীর জন্ম দেয়। সমাজ, অর্থনীতির পরিবর্তন ঘটনাবলীর জন্য মুখ্য নয়। মার্কস এ ধারণার সাথে একমত ছিলেননা। মানুষের চিন্তাচেতনা, ধ্যানধারণা গড়ে উঠে সামাজিক অস্তিত্ব বা সমাজকাঠামো দ্বারা। এই অর্থই করা হতো, মার্কসের শুধুমাত্র রাজনীতিক ব্যাখ্যাদাতাদের দ্বারা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, চিন্তার, সামাজিক অস্তিত্বকে অতিক্রম করবার কথা মার্কসের দর্শনেই নিহিত আছে। যেমন, thesis, antithesis I synthesis এর কথা মাথায় নিলে, দেখা যায় চিন্তা বস্তুত synthesis হিসেবে আগে আসে। রাজতন্ত্রের অস্তিত্বেই গণতন্ত্রণের ধারণা আসে, আগে পুঁজিবাদ আসেনি। সমাজতান্ত্রিক ধারণা আসে আগে, আগে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা আসেনি। এই ধারণাগুলোর অপর্যাপ্ত ব্যাখ্যার কারণেই, এন্থনী গিডেন্স, ফুকো প্রমুখ মার্কসের ছায়ার সঙ্গে লড়াই করেছেন।

() কোন মানুষের জীবনকাল যদি পঞ্চাশের বেশি হয়, তবে অবশ্যই তাঁর চিন্তার পরিবর্তন দেখা দেবেই। মার্কস ও এঙ্গেলসের ১৮৪৮ সালের কমিউনিস্ট মেনিফেস্টো রচনার আগে, মার্কসের ‘ Economic and philosophic Manuscripts of 1844 ’ রচনাকে Louis Althusser, মার্কসবাদ সম্মত নয় বলে মনে করেন। মার্কসের পিএইচ.ডি. থিসিস কেও মার্কসবাদী রচনা মনে করা হয় না। এইটি Alienationএর Two marx Thorey বা ‘দুই মার্কস তত্ত্বের অংশ। পার্টি নির্ভর মার্কসবাদ, মার্কসের সমস্ত রচনাকেই, তাঁর মতের অংশ হিসেবে বিবেচনা করতো। মার্কসের সমাজতত্ত্বে অত্যন্ত পরিচিত বিষয় ‘বিচ্ছিন্নতাবোধ’ বা ‘Alienation Economic and Philosophic Mauscripts of 1844’ ছাড়া আর কোথাও আলোচিত হয়নি। পার্টি নিভর্র কমিউনিস্টরা ‘বিচ্ছিন্নতবাদের’ আলোচনাকে গুরুত্ব দেয়নি। সামাজিক সমস্যার চেয়েও রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহের ব্যাখ্যায় তাঁদের উৎসাহ ছিলো বেশি।

() প্রাচীন কালে মানুষের প্রধান চাহিদা ছিল, খাবার। আর এখন মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তের কাছে, প্রধান চাহিদা বিনোদন। এমনকি নিম্নবিত্তের ও অনেক ক্ষেত্রেই তাই। প্রাচীন কাল, মূলত বস্তুগত চাহিদা ছিলো প্রধান। আর এখন এর সাথে সেবামূলক চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, অনেক বেশি। বিনোদনের বহু উপায়কে পেটিবুর্জোয়া বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন বলে অস্বীকার করার প্রবণতা দেখিয়েছে দলবাদী মার্কসবাদীরা। সাহিত্যসংস্কৃতির বহু সৃজনশীলতাকে বাতিল করেছিলেন তাঁরা।

() মার্কসকে দলবাদী মার্কসবাদীরা অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণবাদী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মার্কসের সামাজিক পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক সূত্রটা ধরতে না পারার কোনও কারণই নেই। এতে কোনও সন্দেহ নেই, মানুষ হলো একমাত্র জীব, যে উৎপাদন করে ও তার বণ্টনও করে। ফলে অর্থনৈতিক প্রয়োজন থেকেই সমাজ ও সামাজিক সম্পর্কের উদ্ভব। পরিবার, প্রতিষ্ঠান, সংঘ, সংগঠনের উদ্ভবও এই কারণে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বদলালে, চিন্তাচেতনা, ধ্যানধারণা, এক কথায় সংস্কৃতিটাই বদলে যায়। কিন্তু লক্ষ্য করবার বিষয়, যে উৎপাদন শক্তির বিকাশ, উৎপাদন সম্পর্কের সাথে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করে তা, মূলত প্রযুক্তি। লাঙ্গল, ট্রাক্টর, কারখানা উৎপাদিকা শক্তি আবার প্রযুক্তিও। এই প্রযুক্তির বিকাশ যখন একটা সীমায় পৌঁছে, তখন পুরনো উৎপাদন সম্পর্ককে না বদলে, প্রযুক্তি বা উৎপাদিকা শক্তির আর বিকাশ হয় না। শুধু তাই নয়, প্রযুক্তির একটি অংশ অবস্তুগত প্রযুক্তি বা মেধা যা মার্কস উপরিকাঠামো হিসেবে দেখেছেন। এর পরিবর্তন ছাড়া সমাজ পরিবর্তন হয় না। লক্ষ্য করবার বিষয়, মার্কসকে যদিও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণবাদী বলা হচ্ছে, তাঁর ব্যাখ্যায় তাঁকে technological deterministicবা প্রযুক্তিক নিয়ন্ত্রণবাদী হিসেবেও উল্লেখ করা যায়। এখানে উপরিকাঠামোর ভূমিকাও দেখতে পাওয়া যায়।

() মানব সমাজের ইতিহাস শুধু শ্রেণি সংগ্রামের ইতিহাস নয়। কেবলমাত্র শ্রেণি বিভক্ত সমাজেই শ্রেণি সংগ্রাম দেখা যায়। আদিম কৌম সমাজে শ্রেণি বিভক্তি ছিলো না। শ্রেণি সংগ্রামকে যাঁরা সামাজিক পরিবর্তনের নিয়ামক মনে করেন, তাঁরা এই প্রশ্নের উত্তর দেননি, তাহলে কৌম সমাজ পরিবর্তন হলো কেমন করে? প্রশ্নটিকে প্রধান করে বার্ট্রান্ড রাসেল লিখলেন ‘ Why I am Not a Communist’, বললেন, যদি সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা পায়, তাহলে কি সমাজ শ্রেণি সংগ্রাম নেই বলে, স্থবির আর নিশ্চল হয়ে যাবে? এই উত্তর দল নির্ভর মার্কসবাদীরা দিতে পারেনি! আসলে ঐ যে আগেই উল্লেখ করেছি, পরিবর্তনের মূল কারণ শ্রেণি সংগ্রাম নয়, উৎপাদিকা শক্তি বা প্রযুক্তির বিকাশ। কেবল প্রযুক্তির বিকাশই, উৎপাদন সম্পর্ক বদলাতে পারে।

() মার্কসের বর্ণনা অনুযায়ী, সুদূর সাহারা থেকে দূরপ্রাচ্য পর্যন্ত এলাকায় বছরের বিশেষ সময়ে বৃষ্টিপাতের কারণে ভারতের গ্রাম সমপ্রদায়গুলো গ্রামের কৃষির জন্য সেচের প্রয়োজন ছিলো। গ্রামগোষ্ঠীগুলো এ বিষয়ে অক্ষম ছিলো ফলে কেন্দ্রীয় সরকারকে গ্রামের সেচ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে হতো। রাষ্ট্র গ্রামগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে, গ্রামগোষ্ঠীর অন্যান্য জীবনের দিককেও নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে। রাষ্ট্র এভাবেই স্বৈরাচারী হয়ে উঠে। জমির ব্যক্তিমালিকানাহীন এই সমাজকে মার্কস এশীয় উৎপাদন ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেন। দল নির্ভর মার্কসবাদীরা কোন কালেই মার্কসের এই ব্যাখ্যাকে জনসমক্ষে আনেনি। এর কারণ এতে, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের তার পরিধিতে থাকা দলকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারতো না। বহুরৈখিক মতবাদ প্রতিষ্ঠা পেলে কেন্দ্রের হেজিমনি বা আধিপত্য থাকে না।

(১০) প্রতি আদর্শেরই এক স্বপ্নময় ব্যাখ্যা থাকে। স্বপ্ন ভুল ও হতে পারে। কিন্তু তাই বলে, সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যাখ্যার বৈজ্ঞানিক উপায় আবিষ্কারকে উপেক্ষা করা যাবে। সমাজতত্ত্ব বিষয় হিসেবে, মার্কসের ভূতের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন তেমনই একজন অগাস্ট কোঁৎ এর উদ্ভাবন। যদিও সমাজতত্ত্বে উৎপত্তিকালে, কোঁৎ, দুর্খিম, প্রমুখ মার্কসকে তাঁর তথাকথিত subjectivism বা বিষয়ীগত ধারণার জন্য সমাজতত্ত্ববিদ হিসেবে স্বীকার করতে চাননি। কিন্তু নিয়তির পরিহাস, সমাজতত্ত্বে সামাজিক ইতিহাস রচনায় এবং আমাদের চারপাশের ঘটনা সমূহের কারণ অনুসন্ধানে, ইতিহাসের বস্তুতন্ত্রী ব্যাখ্যা ছাড়া অচল। মার্কসের জন্ম পরবর্তীকালের সমস্ত সমাজবিজ্ঞানীদের হয় মার্কস বিরোধিতা অথবা সমর্থন করেই প্রতিষ্ঠা পেতে হয়। দলবাদী কমিউনিস্টরা যা আমাদের বোঝাননি তা অন্যদের আলোচনায় অনেকের বোধে এসেছে। মার্কসের রচনাকে ‘মার্কসবাদ’ নয়, মার্কসীয় বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা দরকার। যাঁরা মার্কসের একাডেমিক চর্চা করেন, তাঁদের এবিষয়ে দায়িত্ব বেশি।

লেখক: উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন

এন্ড টেকনোলজি, চট্টগ্রাম।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআমাদের গ্যালাক্সি কত বড়
পরবর্তী নিবন্ধড. মইনুল ইসলামের কলাম