তিন পার্বত্য জেলায় নির্মাণ হবে আরো তিনশ কিলোমিটার সড়ক

অনুমোদন পেল সীমান্ত সড়ক প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়

রাঙামাটি প্রতিনিধি | সোমবার , ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ at ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় পাস হয়েছে। গতকাল রোববার সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটিসহ ১৪ প্রকল্প অনুমোদন করে সরকার। বিএনপি সরকার গঠনের পর এটি দ্বিতীয় একনেক বৈঠক।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদন পাওয়া ১৪টি প্রকল্পে ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এরমধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৮ হাজার ৮৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ হিসেবে ৫ হাজার ৩৪০ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন হবে ১৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। একনেক বৈঠকে অনুমোদন পাওয়া ১৪টি প্রকল্পের মধ্যে ৫টি নতুন, ৫টি সংশোধিত ৪টি মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প রয়েছে। এরমধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে অভিহিত সীমান্ত সড়ক (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্পদ্বিতীয় পর্যায়ও রয়েছে। প্রকল্পটি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সীমান্ত সড়ক (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্পদ্বিতীয় পর্যায়ে তিন পার্বত্য জেলার আনুমানিক ৩০০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হবে। এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সীমান্ত সড়ক নির্মাণকাজে নিয়োজিত এক কর্মকর্তা বলেন, সীমান্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের আনুমানিক ৩০০ কিলোমিটার সড়ক পথ নির্মাণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত সড়ক (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে তিন পার্বত্য জেলার ৩১৭কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২০সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয় ২০২৫ সালের জুনে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত, অবৈধ চোরাচালান এবং প্রান্তিক এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনছে সীমান্ত সড়ক। সীমান্ত সড়ক বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে পাহাড়ের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটবে। সহজীকরণ হবে কৃষি পণ্য ও মৌসুমি ফল বাজারজাতকরণ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধযুক্তরাষ্ট্রে ২ শিক্ষার্থী খুনের বিচার চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পরবর্তী নিবন্ধজীবনে এগিয়ে যেতে হলে লক্ষ্য ঠিক করতে হবে