পটিয়ায় হামলায় আহত আবুল কাশেম (৫৭) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত আবুল কাশেম পটিয়া পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার ডাক্তার বাড়ির আইয়ুব আলীর জ্যেষ্ঠ পুত্র। তিনি পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির নেতা ছিলেন। গতকাল সোমবার সকাল ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল সকালে বাহুলী–গোবিন্দারখীল সংযোগ সড়কে প্রতিবেশী ইব্রাহীম প্রকাশ বেহলাসের ছেলেদের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আবুল কাশেমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় ইকবাল, এস্কানদার সুজন, আবু তাহেরসহ তাদের সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে কাসেম এবং তার ভাইকে গুরুতর জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে তাকে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ দিন পর তার মৃত্যু হয়।
গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে পোস্টমর্টেম শেষে কাশেমের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। রাত সাড়ে ১০টায় দক্ষিণ গোবিন্দারখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহতের জামাতা হাবিবুল্লাহ্ আদনাব বলেন, আমার শ্বশুরের কোনো অপরাধ ছিল না। আমরা এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। সেটা আদালতের অনুমতি নিয়ে হত্যা মামলা হিসাবে রেকর্ড করা হবে। এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে ইতোমধ্যে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে, অজ্ঞাত আসামিদের নজরে রাখা হয়েছে।













