দোহাজারীতে ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ সোহাগ (৪০) নামে রাজমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার ইফতার পরবর্তী কথা–কাটাকাটির এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে উদ্ধার করে তাকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শনিবার সকাল ৮টার দিকে তিনি মারা যান। দোহাজারী পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড দিয়াকুল খান সাহেবপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
৯নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. নাজিম উদ্দিন জানান, একই এলাকার মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে মো. হানিফের সাথে ভিকটিম সোহাগের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন গত ১৩ মার্চ ইফতার পরবর্তী সোহাগের সাথে হানিফের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে হানিফ সোহাগকে ছুরিকাঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। এসময় স্থানীয়রা তাকে মূমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে দোহাজারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসাধীন চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শনিবার সকালে সে মারা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. সালাহ উদ্দীন সোহাগ বিগত ১৫ বছর পূর্বে চকরিয়া এলাকা থেকে দোহাজারীর দিয়াকুল এলাকায় এসে বসবাস শুরু করেন। পরে তিনি স্থানীয় মো. ফেরদৌসের মেয়ে মনিফা আক্তারকে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করেন। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। রাজমিস্ত্রির কাজ করেই সোহাগ তার পরিবার চালাতেন।
সোহাগের স্ত্রী মনিফা আক্তার জানান, স্বামী ও ৩ সন্তান নিয়ে সুখের সংসার ছিল তার। স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালাতেন। তিনিই ছিলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনকম ব্যক্তি। এখন তিনি ৩ ছেলে–মেয়ে নিয়ে কিভাবে সংসার চালাবেন এ চিন্তাই কান্না থামছে না তার। তিনি হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেছেন।
চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইলিয়াছ খাঁন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এব্যাপারে তার স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামালা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পুলিশ অভিযুক্ত হানিফকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।












