বিদ্যুৎ চলে গেলেও যাতে পড়াশোনার বিঘ্ন না ঘটে তার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে জেনারেটর স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রন্থাগারে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের একটি সমস্যার সমাধান হয়েছে। এখন থেকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটেও শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা বাধাগ্রস্ত হবে না। গত ৪ মার্চ চাকসুর সহযোগিতায় এ উদ্যোগটি সম্পন্ন করা হয়েছে। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে লোডশেডিং কিংবা কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেত। ফলে পড়াশোনা করতে আসা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হতো এবং অনেক সময় পড়া মাঝপথে বন্ধ করে ফিরে যেতে বাধ্য হতেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের শিক্ষার্থী সাব্বির রহমান বলেন, আগে লাইব্রেরিতে পড়তে এসে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে অনেক সময় পড়া বন্ধ করে চলে যেতে হতো। জেনারেটর চালু হওয়ায় এখন সেই সমস্যাটা থাকবে না। এতে আমাদের পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
সমাজবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী জান্নাত বীথি বলেন, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অন্যতম প্রধান জায়গা। বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে এখানে দীর্ঘ সময় পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়ত। জেনারেটর স্থাপন হওয়ায় আমরা এখন নিশ্চিন্তে পড়াশোনা করতে পারব।
চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য লাইব্রেরিতে দীর্ঘ সময় পড়াশোনা করা প্রয়োজন। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকলে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতো। জেনারেটর চালু হওয়ায় এখন সেই সমস্যাটা থাকবে না।
আরেক চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, লাইব্রেরির পরিবেশটা পড়াশোনার জন্য খুবই উপযোগী। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকলে অনেক সময় পড়া বন্ধ হয়ে যেত। জেনারেটর স্থাপনের ফলে এখন নিরবচ্ছিন্নভাবে পড়াশোনা করা যাবে, যা আমাদের জন্য অনেক সহায়ক হবে।
চাকসুর ক্যাফেটেরিয়া ও পাঠাগার সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বিদ্যুৎ চলে গেলে পুরো অন্ধকার হয়ে যেত, ফলে শিক্ষার্থীদের পড়ানোর স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন ঘটত। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করব। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুন্দর একটি পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।












