সিজেকেএস ক্লাব সমিতি আয়োজিত সিসিএস ট্যালেন্ট কাপ টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের চতুর্থ দিনের খেলায় কোয়ালিটি ব্লুজ এবং কে এম স্পোর্টিং ক্লাব জয়লাভ করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিনের প্রথম খেলায় কোয়ালিটি ব্লুজ ৯ উইকেটে আবাহনী জুনিয়রকে পরাজিত করে। লো স্কোরিং ম্যাচে টসে জিতে আবাহনী জুনিয়র প্রথমে ব্যাট করে এবং ১৮.৫ ওভার খেলে মাত্র ৫৮ রানে গুটিয়ে যায়। দলের ওপেনার নুরুল হাসনাত সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে অতিরিক্ত ১৪ থেকে। বাকিরা দুই অংকের ঘরে যেতে পারেনি। কোয়ালিটি জুনিয়রের আশরাফুল ইসলাম ৩ ওভার বল করে ৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন। আশরাফুল হাসান ৪ রান দিয়ে পান ২টি উইকেট। ১টি করে উইকেট পান ইমতিয়াজ হোসেন এবং আজমান ইকতেদার।
জবাব দিতে নেমে কোয়ালিটি জুনিয়র ৮.১ ওভার খেলে ১ উইকেট খুঁইয়ে ৬০ রান তুলে নেয়। শুরুতে শূন্য রানে ওপেনার মোরশেদ চৌধুরী আউট হয়ে গেলেও ফাহিম এবং আশরাফুল হাসান দলকে জয় এনে দিয়ে মাঠ ছাড়েন। ফাহিম ৩০ বল খেলে ৪৬ রানে অপরাজিত থাকেন। ৬টি চার এবং ২টি ছক্কা মারেন তিনি। আশরাফুল অপরাজিত ১০ রান করেন। আবাহনী জুনিয়রের রাশেদুল বারি ১টি উইকেট পান। এতে প্লেয়ার অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন বিজয়ী দলের আশরাফুল হাসান। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন আবাহনী জুনিয়রের ম্যানেজার রূপন নন্দী এবং কোয়ালিটি স্পোর্টিং ক্লাবের সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ হেলাল।
দিনের অপর ম্যাচে কে এম স্পোর্টিং ক্লাব ৬ উইকেটে আগ্রাবাদ নওজোয়ান গ্রীনকে পরাজিত করে। টসে জিতে নওজোয়ান গ্রীন প্রথমে ব্যাট করতে নামে। ২০ ওভার খেলে ৪ উইকেটে ১৩০ রান করে তারা। দলের পক্ষে রাফিউল আলম রুবেল ২৬ বল খেলে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন ৫টি চার এবং ২টি ছক্কায়। এছাড়া ওপেনার আইয়ুব ৪৫ বলে অপরাজিত ৪২ এবং আবতাহি মাজহার ২৭ রান করেন। অতিরিক্ত থেকে আসে ১০ রান। কে এম স্পোর্টিংয়ের পক্ষে আবদুন নূর ১৬ রান দিয়ে ৩টি উইকেট লাভ করেন।
জবাবে কে এম স্পোর্টিং ক্লাব ১৮.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান তুলে নেয়। দলের পক্ষে দুই ব্যাটার রুকুনুল আবেদিন এবং জয় দুজনই ৩৬ রান করে তুলে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া এছাড়া আসিফ ২৬ এবং জাহিদুল ইসলাম ১৪ রান করেন। আগ্রাবাদ নওজোয়ান গ্রীনের পক্ষে রাকিব উদ্দিন এবং রাফিউল আলম ২টি করে উইকেট নেন। প্লেয়ার অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন বিজয়ী দলের আবদুন নূর। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন নওজোয়ান ক্লাবের কর্মকর্তা ওয়াসিম কামাল রাজা এবং কে এম স্পোর্টিং ক্লাবের কর্মকর্তা সারওয়ার উদ্দিন চৌধুরী।












