চকরিয়ার উত্তর হারবাংয়ের ইছাছড়ি এলাকায় তিন সাংবাদিকের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনার ১২ দিন পর গতকাল বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইউএনও এবং এসিল্যান্ড। এ সময় তারা প্রত্যক্ষ করেন বালুদস্যু–সন্ত্রাসী নাজিম উদ্দিনের সিন্ডিকেট অবৈধভাবে বালু তুলতে গিয়ে হারবাং ছড়া ও ফসলি জমিতে চালানো ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র। এ সময় ছড়ার তীরে বালুর ভেতর লুকিয়ে রেখে কালো পলিথিনে ঢাকা একটি শ্যালোমেশিন ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, পরিবেশের ক্ষতি করে হারবাং ছড়ার দুই তীর, তলদেশ ও বালুকাময় ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু তোলা এবং গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে চিত্র ধারণ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক বর্বরোচিত হামলার শিকার হন। এ নিয়ে দৈনিক আজাদীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কয়েকদিন ধরে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের নির্দেশ পেয়ে বুধবার দুপুরে অকুস্থল পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার, এসি ল্যান্ড রূপায়ন দেব, হারবাং ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. আবুল মনসুর এবং থানার একদল পুলিশ।
ইউএনও শাহীন দেলোয়ার জানান, জেলা প্রশাসন কর্তৃক দেওয়া বালুমহাল ইজারার শর্ত লঙ্ঘন এবং বালু আহরণের নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে গিয়ে পরিবেশ ধ্বংস করে অবৈধভাবে বালু তোলার সত্যতা বা আলামত পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় ইজারাদারের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। একইসাথে পরিবেশ ধ্বংসে জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের কারণে ইছাছড়ি খালের তলদেশ গভীর হয়ে এবং দুই তীর ধসে গিয়ে ভাঙন তীব্র হয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে কৃষিজমি ও বসতভিটা।












