উখিয়ার পাঁচ ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চারটির মধ্যে ৩টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী ও ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। অন্য একটিতে ভোটের ফলাফল স্থগিত রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত উখিয়ার ২নং রত্নাপালং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নুরুল হুদা ৭৩০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল কবির চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে ৫৯৮৮ ভোট পেয়েছেন। উক্ত ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৮০৯৫ জন। উখিয়া উপজেলা সদরের রাজাপালং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ১৭৮৮২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি টানা তৃতীয়বারের মতো এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের সাদমান জামী চৌধুরী পেয়েছেন ১১৪৭৩ ভোট। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ৩৯১১১ জন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্প অধ্যুষিত ৫নং পালংখালী ইউনিয়নে টানা তৃতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকে এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ৪৭১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আবদুল মালেক চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯৯৯ ভোট। আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল মনজুর পেয়েছেন ১১৬৮ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহাদাত হোসেন জুয়েল আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩০৩২ ভোট ও আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী কঙবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলী আহমদ মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৭৮৬ ভোট। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৯৭৫৬ জন।
১নং জালিয়াপালং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম ছৈয়দ আলম ৬৫৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা চশমা প্রতীকে নুরুল আমিন চৌধুরী ৫৯২৬ ভোট পেয়েছেন। এ ইউনিয়নের মোট ভোটার ২৯২৮৮ জন।
উখিয়ার বহুল আলোচিত ৩নং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে গোলযোগ হওয়ায় ঐ ইউনিয়নের পুরো ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে।












