১ লাখ ১৪ হাজার ৭০৬টি খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড

আজাদী প্রতিবেদন | বুধবার , ১৯ আগস্ট, ২০২৬ at ৪:৫৪ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের পুনঃনিরীক্ষণের জন্য রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। এবার মোট ১ লাখ ১৪ হাজার ৭০৬টি খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছেন পরীক্ষার্থীরা। এবারের ফলাফলে বড় ধসের পর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে গত ১০ আগস্ট এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে পাসের হার দাঁড়ায় ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১২ দশমিক ৫৯ শতাংশীয় পয়েন্ট। একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও।

এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। এর মধ্যে পাস করেছে প্রায় ৭৭ হাজার ৭০০ জন। গত বছর পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৮ জন।

ফলাফলের অবনতির পাশাপাশি জিপিএ৫ পাওয়ার সংখ্যাও কমে যায়। ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ১১ হাজার ৮৪৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ৫ পেয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জনে। অর্থাৎ এক বছরে জিপিএ৫ কমেছে ২ হাজার ৪৪৫টি।

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণেই খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন বেড়েছে বলে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলেছে, পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন মানেই খাতায় ভুল হয়েছেএমনটি নয়। সাধারণত পরীক্ষার্থীরা ফলাফলে প্রত্যাশিত নম্বর না পাওয়া, ফেল করা, গ্রেড কমে যাওয়া কিংবা কোনো বিষয়ে অস্বাভাবিক ফল মনে হলে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করে থাকেন।

পুনঃনিরীক্ষণে সাধারণত উত্তরপত্র নতুন করে মূল্যায়ন করা হয় না। প্রাপ্ত নম্বর ঠিকভাবে যোগ করা হয়েছে কি না, কোনো প্রশ্নের নম্বর দেওয়া বাদ পড়েছে কি না, নম্বরপত্রে সঠিকভাবে নম্বর স্থানান্তর করা হয়েছে কি নাএসব বিষয় যাচাই করা হয়। যাচাইয়ে কোনো ত্রুটি পাওয়া গেলে ফলাফলে পরিবর্তন আসতে পারে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী মোট ১ লাখ ১৪ হাজার ৭০৬টি খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধজৈব পচনশীল বস্তু থেকে বিষাক্ত গ্যাস?
পরবর্তী নিবন্ধরোহিঙ্গারা রোহিঙ্গাই, বাঙালি নয়