হাটহাজারীবাসীর দাবি অনেক

হাটহাজারী প্রতিনিধি | রবিবার , ৯ আগস্ট, ২০২৬ at ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ

হাটহাজারীর ১৪টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ২টি ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম৫ হাটহাজারী সংসদীয় এলাকা। চট্টগ্রাম মহানগরীর সাথে লাগোয়া এই সংসদীয় এলাকার কিছু সমস্যার সমাধান স্থানীয়দের কাছে সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সংসদীয় এলাকার মানুষের দাবি অনেক। তারা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনের ফলে তাদের দাবিগুলো উত্থাপিত হবে এবং ধারাবাহিকভাবে একেকটা দাবি পূরণ হবে। এর ফলে পাল্টে যাবে হাটহাজারী।

হাটহাজারীবাসীর দাবিগুলোর মধ্যে আছে, চট্টগ্রামনাজিরহাট সড়কের বড় দিঘির পাড়, চৌধুরীহাট, ফতেয়াবাদ, হাটহাজারী বাস স্টেশন, বাজার, সরকারহাট বাজারে যানজট নিরসনের জন্য উত্তর হাটহাজারীর সড়কটি সম্প্রসারণ করে চার লেনে উন্নীত করা, বাস স্টেশন ও বাজার যানজটমুক্ত করতে নাজিরহাট শাখা রেললাইনের পাশে বাইপাস সড়ক নির্মাণ, স্বল্পআয়ের লোকজনের চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াতের জন্য নাজিরহাট শাখা রেললাইনে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা, মীরেরহাট, মুনিয়া পুকুর পাড় এলাকা ও ফরহাদাবাদের জব্বারহাটে রেল স্টেশন প্রতিষ্ঠা করা, রেল যাতায়াত সহজ করা, হাটহাজারী দুগ্ধ ও গবাদি পশু খামার, ছাগলের খামারের পরিকল্পিত উন্নয়ন করা, নাজিরহাট নতুন রাস্তার মাথা থেকে বিআরটিসি বাস চালু করা, সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করে গুরুত্বপূর্ণ বাজারে গ্রোথ সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিএনজি টেঙি, কার ও মাইক্রোর পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙকে ১শ শয্যায় রূপান্তরের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা, স্বাস্থ্য কমপ্লেঙের আবাসিক ভবনগুলো আধুনিকায়ন করা, ট্রমা সেন্টার দ্রুত চালু করা, বিনোদনের জন্য স্টেডিয়াম ও শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠা করা, হাটহাজারী কৃষি ইনস্টিউটকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা এবং বিসিআইসি ল্যাবকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা। ফতেয়াবাদের উত্তরে খালি জায়গায় একটি মেডিকেল স্থাপন। অঙিজেনের খালি জায়গায় একটি সরকারি স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা।

এছাড়া কাটিরহাট এলাকায় একটি টেকনিক্যাল স্কুল প্রতিষ্ঠা, চীনবাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের চূড়ান্ত অনুমোদন, হালদা প্যারালাল খাল দ্রুত চালু করা, হালদা নদীর সংযুক্ত খালে স্লুইচগেটগুলো খোলা ও বন্ধ করার জন্য স্থায়ী লোক নিয়োগ করা। হাটহাজারীতে একটি মডেল হিন্দু মন্দির ও একটি বৌদ্ধ মন্দির প্রতিষ্ঠা করা, একটি পূর্ণাঙ্গ সংস্কৃতি ও একটি পালি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবিগুলো তুলে ধরার জন্য ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআশায় বুক বাঁধছেন ফটিকছড়ির মানুষ
পরবর্তী নিবন্ধঢেলে সাজানো হচ্ছে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা