এমপিওভুক্ত স্কুল–কলেজের শিক্ষকদের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানদের বদলির সুযোগ দিয়ে ফের নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সমস্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলির সুযোগ দিয়ে গতকাল বুধবার এ নীতিমালা জারি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এটি বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল–কলেজের শিক্ষকদের বদলির সুযোগ দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জারি করা চতুর্থ নীতিমালা। খবর বিডিনিউজের।
নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদের চাহিদা বা বিবরণ অনলাইনে প্রকাশ করবে। শূন্যপদের বিপরীতে অধিদপ্তর বদলির আবেদন আহ্বান করবে। এভাবে সমস্তরের প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান ও একই বিষয়ের শিক্ষক–প্রভাষক সমপদে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বছর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
এর আগে ২০২৪ সালের ১ আগস্ট পারস্পরিক আবেদনের ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত স্কুল–কলেজের শিক্ষকদের বদলির সুযোগ দিয়ে প্রথম নীতিমালা জারি করা হয়েছিল। এ পদ্ধতির শর্তের কারণে বেশির ভাগ শিক্ষক বদলির আওতার বাইরে থাকছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সমালোচনার মধ্যে শর্ত শিথিল করে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকদের বদলির সুযোগ দিয়ে নীতিমালা জারি করা হয়েছিল। তবে ২০১৫ সালের আগে পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা বদলির সুযোগ না পাওয়ায় তারা আদালতের দ্বারস্থ হন। পরে স্কুল–কলেজের সব শিক্ষককে বদলির সুযোগ দিয়ে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি নীতিমালা জারি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, যা সংশোধন করে বুধবার আরেক দফা জারি করা হয়। নতুন নীতিমালা জারির দিন থেকেই কার্যকর হবে এবং আগের নীতিমালাগুলো রহিত থাকবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।













