সাতকানিয়ার ৯০ ভাগ এলাকা প্লাবিত, ত্রাণ কার্যক্রম আরো জোরদার হবে

এলাকা পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক

সাতকানিয়া প্রতিনিধি | শনিবার , ১১ জুলাই, ২০২৬ at ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, সাতকানিয়ার ৯০ ভাগ এলাকা বন্যা প্লাবিত। এখানকার প্রায় ৪ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এখন বন্যার পানির নিচে। টানা ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এরমধ্যে সাতকানিয়া সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক বসত ঘরে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় সড়কগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে সাতকানিয়ায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, এখনো যারা পানিবন্দি আছে তাদেরকে নৌকা দিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। যাদেরকে নৌকা দিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না স্পিড বোট পাওয়া মাত্র তাদেরকে উদ্ধার করা হবে। তাদেরকে উদ্ধার করে আশ্রয়ন কেন্দ্রে রাখা হবে। সেখানে শুকনো খাবার ও ২ বেলা করে খিচুড়ি দেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, সরকার বন্যা কবলিত মানুষের পাশে রয়েছে। চট্টগ্রামে বন্যা কবলিতদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এগুলো আমরা ইতিমধ্যে বিতরণ করেছি। আরো কিছু বরাদ্দ এসেছে। আমি সাতকানিয়ায় আসার পথে মন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। এখানকার বাস্তবতা তুলে ধরেছি। বাস্তবতার প্রেক্ষিতে সাতকানিয়ার জন্য স্পেশাল বরাদ্দ দেওয়া হবে। তখন ত্রাণ কার্যক্রম আরো জোরদার হবে।

বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণকালে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামছুজ্জামান, সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মুজিবুর রহমান মুজিব ও ঢেমশা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের উপস্থিত ছিলেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিমানবন্দর রানওয়ের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ
পরবর্তী নিবন্ধনগরীর ৮০ শতাংশ এলাকার পানি নেমে গেছে : মেয়র