রেস্তোরাঁতে যাত্রীরা জিম্মি

| বুধবার , ২১ অক্টোবর, ২০২৬ at ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশে পর্যটন কেন্দ্রের আশেপাশের রেস্তোরাঁ গুলোতে খাদ্য দ্রব্যের দাম দ্বিগুণ হারে নেয়া হয়। পর্যটকরা ভ্রমণে আসেন রিপ্রেসমেন্টের জন্য, সেখানে কেনাকাটায় তর্ক যুদ্ধে যায় না। তাই দোকানদারের কাছে জিম্মি হয়ে যায়। পাশাপাশি দূরপাল্লার মহাসড়কের পাশে যাত্রা বিরতির রেস্ট হাউসে যাত্রীদের পকেট কাটার ঘটনাও নতুন কিছু নয়। কোমল পানীয় স্ন্যাক্স জাতীয়, যে কোনো খাবারের দাম পকেট হাতিয়ে নিচ্ছে। যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনী। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়, হাওড় বা দ্বীপে ন্যায্য দামের চেয়ে অল্প বেশি রাখলেও মানা যায় কিন্তু মহাসড়কে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়া সত্ত্বেও তারা কুলিং চার্জ পরিবহন খরচসহ নানাবিধ অজুহাতে গলাকাটা দাম নিচ্ছে।

নতুন পে স্কেলকে কেন্দ্র করে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্ব গতিতে সাধারণ মানুষের ত্রাহি অবস্থা। বিশেষ করে স্থির আয়ের মানুষেরা বিপাকে পড়েছেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেও এসব স্থানে কোনো প্রভাব পড়ছে না। যার কারণে তারা নীরবে অধিক মুনাফা লাভ করছে। উন্নত বিশ্বে দেশের সর্বত্র দাম নিয়ন্ত্রিত থাকে। আমাদের দেশে ব্যবসায়ীরা ঝোপ বুঝে কোপ মারে–যা নিন্দনীয় ব্যাপার। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন আরো কঠিন ভাবে প্রয়োগ করা দরকার। প্রশাসনের হস্তক্ষেপই পারে এ ধরনের নৈরাজ্য বন্ধ করতে।

সুকান্ত দেবনাথ

নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম।

পূর্ববর্তী নিবন্ধফজিলতুন্নেসা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলমান ছাত্রী
পরবর্তী নিবন্ধউপজেলা পর্যায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা