অননুমোদিত ও আমদানিকারকবিহীন কাশ্মীরি মরিচ ব্যবহার, কাঁচা মাংসের সঙ্গে বাসী খাবার সংরক্ষণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে রাঙামাটির তিনটি রিসোর্টকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে বার্গী লেকভ্যালী রিসোর্টকে কাঁচা মাছ–মাংসের সঙ্গে রান্না করা বাসী খাবার সংরক্ষণ, অননুমোদিত ও আমদানিকারকবিহীন কাশ্মীরি মরিচ খাবারে ব্যবহার এবং কটেজের রুমভাড়া ও খাবারের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন না করায় ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
রিসাং রিসোর্টকে কটেজের রুমভাড়া ও খাবারের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন না করা এবং অননুমোদিত ও আমদানিকারকবিহীন কাশ্মীরি মরিচ খাবারে ব্যবহার করায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে, রেং রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টকে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার প্রক্রিয়াজাত করা এবং রান্নাঘরে রান্নার উপকরণের ওপরে মাকড়সার জাল ও একাধিক মাকড়সার উপস্থিতি পাওয়ায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তামজিদ রহমান এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রানা দেব নাথ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাঙামাটির সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রানা দেব নাথ বলেন, অননুমোদিত ও আমদানিকারকবিহীন কাশ্মীরি মরিচ খাবারে ব্যবহার এবং মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন না করাসহ একাধিক অনিয়মের কারণে তিনটি রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ ও রিসোর্টে সেবার মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন এবং তালিকার চেয়ে বেশি মূল্য না রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।












