তোমাকে ঠিক কখন থেকে ভালোবাসি
আবছায়া মনে পড়ে
মনে পড়ে সুর তোলে গাইতাম
‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে’।
শৈশবে রোদ্দুর ভেজা দিনগুলোতে।
রোজ ঘুম পাড়ানি গল্পে
ফটিকের বিদ্রোহ, মৃন্ময়ীর অদ্ভুত স্বাধীনতা,
ছোট্ট মিনির সরলতা
সব মিলিয়ে তোমার মাঝে আমার বেড়ে ওঠা।
একদিন ‘শেষের কবিতা’ হাতে নিয়ে
প্রিয় মানুষটিকে বলেছিলাম
অমিত হয়ো না,
আমাদের কবিতা যেন কখনো শেষ না হয়।
চেয়েছিলাম গভীর শূন্যতা নয়
একটি অনন্ত অথচ সম্পূর্ণ ভালোবাসা।
বিরহী রাতে তুমি ছিলে সঙ্গী
‘মাঝির লাগি আছি জাগি সকল রাত্রি–বেলা’,
ঢেউগুলোও যেন জানত
আমার নিঃসঙ্গতার ভাষা।
জীবনের সব সৌন্দর্য আমি দেখি,
তোমার দৃষ্টিতে –
‘এই লভিনু সঙ্গ তব, সুন্দর হে সুন্দর’
তুমি শিখিয়েছ সৌন্দর্য আসলে উপলব্ধি।
তোমাকে বলি, বারেবারে বলি
নিঃশব্দে, অন্তর্লয়ে
‘আমার পরান যাহা চায় তুমি তাই, তুমি তাই’।
শব্দে, সুরে, নিঃশ্বাসে
একটি চিরন্তন অনুভব তুমি।








