মায়ের উঠোন অতি পবিত্র।
সুনির্মল নিশ্বাসে ঘুরে, আনন্দে খেলে।
‘মায়ের উঠোন‘ পুকুরে সেচ দেওয়া
তলার মতো এঁটেল মাটি।
শৈশবে শত ঝগড়াঝাটি, খুনসুটির এঁটেল মাটি
গায়ে গায়ে লেগে লেগে যায়
বৃত্ত বলয়ে ঘুরপাক খায়,
মায়া টান আরও তীব্রতা বাড়ায়।
সূর্য আলো কত নিষ্ঠুর!
সম্পর্কগুলো পুকুরের তল এঁটেল মাটি
মতো শুকিয়ে চৌচির ফাটল,
একটি উছিলায় টুকরো টুকরো ভঙ্গুর।
টান খান খান! মায়া কত রসিক?
মায়া যবে আলোয় আলোয়,
‘মা উঠোন‘ ছেড়ে চলে যায়,
আনমনে ‘মায়াপাখি‘ উড়ে যায়
অনেক দূরে কতদূরে —–!
ফিরে নি আর—-ঘরে।
বৈশাখী বৃষ্টিতে পুকুর তলা মাটি হয় নরম।
তব ‘মায়ের উঠোনে’ কত মৌসুমী ঝড়!
কত বাদল! কত বর্ষা প্লাবন!
এ ফাটল শক্ত হতে শক্ত!
আর গলে না—-!






