জুনিয়র এশিয়া কাপ হকি খেলতে চীনে গিয়েছিল বাংলাদেশের ছেলে এবং মেয়েদের দল। ছেলেরা এ টুর্নামেন্টে সপ্তম স্থান অধিকার করলেও মেয়েরা অধিকার করেছে পঞ্চম স্থান।
দারুণ পথচলায় জাপানের বিপক্ষে হারে হোঁচট খেলেও শেষটা ভালো হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েদের। এলিট পুলের দল মালয়েশিয়াকে হারিয়ে উইমেন’স জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে পঞ্চম হয় বাংলাদেশ। হুলুনবুইর সিটিতে গতকাল শনিবার পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ২–১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে রিমন সারিকা ও কনা আক্তার পেয়েছেন জালের দেখা। উইমেন’স জুনিয়র এশিয়া কাপ হকির এবারের আসর বাংলাদেশ শেষ করল ছয় ম্যাচে পাঁচ জয় ও একটি হার দিয়ে। চ্যালেঞ্জার পুলে চার ম্যাচের সবগুলো জিতেছিল দল। চাইনিজ তাইপেকে ৭–০, পাকিস্তানকে ৫–১, কাজাখস্তানকে ৪–০ এবং হংকং চায়নাকে ৬–০ গোলে হারিয়ে চ্যালেঞ্জার পুলে সেরা হয়েছিল দল। এরপর কোয়ার্টার–ফাইনালে এলিট পুলে তৃতীয় হওয়া জাপানের বিপক্ষে ২–০ গোলে হেরে স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলতে হয় বাংলাদেশকে। সেখানে এলিট পুলে পঞ্চম হওয়া মালয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষটা রাঙাল মেয়েরা। শক্তিশালী মালয়েশিয়ার সাথে শুরু থেকে চোখে চোখ রেখে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। প্রথম ও দ্বিতীয় কোয়ার্টারে গোল না পেলেও জাল অক্ষত রাখে দল। তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতে সফল পেনাল্টি স্ট্রোকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন সারিকা। চতুর্থ ও শেষ কোয়ার্টারে কনার লক্ষ্যভেদে ব্যবধান হয় দ্বিগুণ।
শেষ দিকে মালয়েশিয়া এক গোল শোধ করলেও উজ্জীবিত বাংলাদেশের জয় আটকাতে পারেনি। এদিকে চাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে জুনিয়র এশিয়া কাপ হকি শেষ করে বাংলাদেশের ছেলেরা। এই জয়ে সপ্তম হয়ে আসর শেষ করল তারা। হুলুনবুইর সিটিতে গতকাল শনিবার সপ্তম–অষ্টম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে চাইনিজ তাইপেকে ৫–২ গোলে হারায় বাংলাদেশ। রিফাতের জোড়া গোলের আগে–পরে জালের দেখা পান মুন্না ইসলাম, তায়েব আলি ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
এ নিয়ে ছয় ম্যাচ দুই জয় ও চার হার নিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করল বাংলাদেশ। পুল পর্বে চীনের বিপক্ষে ৩–২, ও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৪–২ গোলে হারের পর কাজাখস্তানকে ৪–২ গোলে হারিয়ে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ। পরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩–০ ব্যবধানে হেরে পুল পর্বে তৃতীয় হয় দল। এরপর জাপানের বিপক্ষে ৬–২ গোলে হেরে জুনিয়র বিশ্বকাপ খেলার আশা শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের। চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে শুরু থেকে আধিপত্য করতে থাকে বাংলাদেশ। ষষ্ঠ মিনিটে মুন্না পেনাল্টি কর্নার থেকে এগিয়ে নেন দলকে। এই কোয়ার্টারে চাইনিজ তাইপে সমতায় ফিরে। রিফাতের ফিল্ড গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় কোয়ার্টার শেষ করে বাংলাদেশ। তৃতীয় কোয়ার্টারের শেষ দিকে চাইনিজ তাইপে সমতা ফেরানোর পর পরই তায়েব ফের বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন পেনাল্টি কর্নার থেকে। চতুর্থ ও শেষ কোয়ার্টারে রিফাত ও আব্দুল্লাহর গোলে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় দলের।












