মাদ্রাসা পরিচালককে পুলিশে দিলেন বিক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা

শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন

কর্ণফুলী প্রতিনিধি | সোমবার , ১৮ মে, ২০২৬ at ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ

কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটায় মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার শিক্ষকের নাম মো. মামুনুর রশিদ (৩৬)। গত শনিবার রাতে ওই মাদ্রাসা থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয় লোকজন। গ্রেপ্তার মামুনুর রশীদের বাড়ি আনোয়ারা হলেও বর্তমানে চরপাথরঘাটা আজিম পাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন এবং ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরপাথরঘাটা আজিমপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় দারুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ্‌ নামে একটি মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে ছেলেমেয়েদের পাঠদান করে আসছিলেন মামুন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত রমজানের পর থেকে হেফজখানার ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে প্রায় সময়ে যৌন নিপীড়ন করে আসছিলেন। ভয়ে শিশুটি বিষয়টি এতদিন গোপন রাখলেও শনিবার রাতে ওই শিক্ষার্থীর মা মাদ্রাসায় গেলে তার মাকে ঘটনাটি জানায়। তিনি বিষয়টি অন্য অভিভাবকদের জানান। একপর্যায়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে মামুনুর রশীদকে আটক করেন বিক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষুব্ধ লোকজন মামুনুর রশীদের বিচারের দাবিতে তাঁকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে গতকাল রবিবার ওই পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে একটি মামলা করেন। এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রবিবার দুপুরের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মা বলেন, ‘ছেলের জবানবন্দি শুনে আমার পাহাত শিরশির করে উঠল। যে মানুষটা আমার ছেলেকে কোরআন শেখানোর কথা, সেই মানুষটাই জঘন্যতম পাপের কাজ করেছে। আমি সরকারের কাছে ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।’

পূর্ববর্তী নিবন্ধআমরা দল মত নির্বিশেষে সকলের হয়ে দায়িত্ব পালন করতে চাই
পরবর্তী নিবন্ধপ্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার বিষয়ক জ্ঞান মেলা