তৃতীয় বার বিশ্বজয়ের আশা ছিল ফ্রান্সের। সে স্বপ্ন ভঙ্গ হতেই অশান্ত হয়ে উঠলো ফ্রান্স। সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে কিলিয়ান এমবাপ্পেরা হারের পর প্যারিস–সহ বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে আসেন কয়েক হাজার মানুষ। ক্ষুব্ধ ফুটবলপ্রেমীরা নানা জায়গায় ভাঙচুর চালান, আগুন ধরিয়ে দেন। পরিস্থিতি সামলাতে নামাতে হয় পুলিশ। তাঁদের সঙ্গেও দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ান ফুটবলপ্রেমীরা।
মঙ্গলবার রাতের রাস্তায় নেমে আসা ফ্রান্সের ফুটবল সমর্থকদের কারও চোখে ছিল পানি। কারও মুখে ছিল ক্ষোভ। হতাশায় ডুবে ছিলেন সকলেই। দোকান, গাড়িতে যথেচ্ছ ভাঙচুর চালান তাঁরা। আগুন লাগিয়ে দেওয়ার বেশ কিছু ঘটনাও ঘটেছে। সমাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, রাত যত বেড়েছে হিংসাও তত বেড়েছে। সাইরেনের শব্দ, চিৎকার, বিশৃঙ্খলায় দ্রুত বদলাতে শুরু করে রাস্তাঘাটের ছবি। কিছু সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে নিরাপদ জায়গার খোঁজে দৌড়োদৌড়ি করতে দেখা গিয়েছে। ক্ষুব্ধ ফুটবলপ্রেমীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পথে নামে পুলিশ এবং রায়ট পুলিশ। কিছু জায়গায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়েন ক্ষুব্ধ ফুটবলপ্রেমীরা। নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন কিছু মানুষ। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এমবাপেদের হার মেনে নিতে পারেননি তাঁরা। ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের এমন বেপরোয়া আচরণে ক্ষুব্ধ ফ্রান্সের সাধারণ মানুষ। তাঁরা পুলিশকে কড়া হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলার পরামর্শ দিয়েছেন। দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি করায় তাঁদের কেউ সমালোচনা করেছেন। কেউ বিদ্রুপ করেছেন।












