চট্টগ্রাম কাস্টমসের সার্ভার সিস্টেমের ধীরগতির কারণে গতকাল শুল্কায়ন কার্যক্রমে ভোগান্তির শিকারের অভিযোগ করেছেন সেবাগ্রহীতরা। বিল অব এন্ট্রি দাখিলে ৩–৪ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, কাস্টমসের সার্ভার নিয়ে সমস্যা চলছে দীর্ঘ সময় ধরে। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সেদিকে নজর নাই। বারবার শুধু সমাধানের আশ্বাস ছাড়া কিছুই মিলছে না। সার্ভারের গতি একদিন স্বাভাবিক থাকে তো, আরেকদিন থাকে না।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যকে গতিশীল করার লক্ষ্যে ১৯৯৫ সালে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে অটোমেশনের যাত্রা শুরু হয়। এক সময় অ্যাসাইকুডা প্লাস ভার্সন থাকলেও গত ২০১৩ সাল থেকে কাস্টমসে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড পদ্ধতি চালু হয়। এই পদ্ধতিতে আামদানি রপ্তানি কার্যক্রমের প্রায় সবকিছুই অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। কিন্তু মাঝে মাঝেই সার্ভারের গতি কমে যাওয়া কিংবা বিকল হয়ে যাওয়ার ফলে আমদানিকারকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী আজাদীকে বলেন, চট্টগ্রাম কাস্টমসের সার্ভারের সমস্যা অনেক পুরনো। এই সার্ভার পরিবর্তন করতে হবে। কারণ এখন কাজের চাপ বেড়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন আজাদীকে বলেন, আজকে (গতকাল) সার্ভারের তেমন সমস্যা ছিল না। কাজের ক্ষেত্রে তেমন সমস্যা হয়নি আমার জানা মতে। তবে নির্দিষ্ট কিছু কম্পিউটারে কাজের গতি কম থাকতে পারে।












