বিভিন্ন স্থানে বিজয় দিবস উদযাপন

| মঙ্গলবার , ২১ ডিসেম্বর, ২০২১ at ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ

চসিক মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, শ্রমজীবী ও মেহনতী মানুষই হচ্ছে দেশের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি। শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্যেই নিহিত রয়েছে দেশের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা ‘রূপকল্প ২০২১-২০৪১’ বাস্তবায়নে শ্রমজীবি মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শ্রমজীবি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের অধিকার রক্ষায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে শ্রমজীবি মানুষের কল্যাণে সবাইকে একাত্ম হওয়ার আহবান জানান। তিনি গত শনিবার এম.এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিজয় মঞ্চে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিববর্ষ ও মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। শ্রমিকলীগ মহানগরের সভাপতি বখতেয়ার উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকতার উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাড. মাহফুজুর রহমান খান, মো. ইউনুছ, আব্দুল খালেক চৌধুরী, অরুন কুমার দাশ, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, নাসরিন রহমান, সৈয়দ মেজবাহুল ইসলাম, মো. নুরুল আলম, ফকরুল আলম, মো. জামাল উদ্দিন, মো. আলী আকবর, নাজমা আক্তার, শেখ লোকমান হোসেন, মো. জামাল, মো. জালাল, দিদারুল আলম, রাশেদুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। মেয়র সরকারের পাশাপাশি শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ সংরক্ষণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে দেশের শিল্প বাণিজ্যের অগ্রগতি সাধিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি মুজিববর্ষ ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াবার আহবান জানান। সবশেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
মমতা : বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা মমতার উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা, দেশব্যাপী মুজিববর্ষের শপথবাক্য পাঠের অনুষ্ঠানে মমতা কর্মকর্তা-কর্মীবৃন্দের অংশগ্রহণ, মমতা কালচারাল ইনস্টিটিউটের শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। মমতার প্রধান কার্যালয়সহ, মমতা মাতৃসদন ১ ও ২, মমতা স্কুল এন্ড কলেজে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা, র‌্যালি ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও মমতার সকল কর্মসূচিসহ অন্যান্য শাখা অফিসে ও অনুষ্ঠিত হয়। এসব কর্মসূচিতে চিকিৎসা ক্যাম্প, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও মাস্ক বিতরণ করা হয়। এ উপলক্ষে সম্প্রতি নগরীর হালিশহরস্থ মমতা অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মো. হারুন ইউসুফের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফ্‌ফর আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপ-প্রধান নির্বাহী মো. ফারুক। মমতার প্রধান নির্বাহী রফিক আহামদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিচালক তৌহিদ আহমেদের পরিকল্পনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অধ্যাপিকা পুরবী দাশ গুপ্তা, মনসুর মাসুদ, মোহাম্মদ শাহারিয়ার, স্বপ্না তালুকদার, এম.এম.এরশাদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মমতার সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মানবাধিকার ও পরিবেশ ফাউন্ডেশন : মানবাধিকার ও পরিবেশ ফাউন্ডেশন মহানগরের উদ্যোগে গত ১৬ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন এস.এম শামসুল হক, মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, এম নুরুল হুদা চৌধুরী, লেফটেন্যান্ট (অব.) ইলিয়াস কামরু, প্রিয়াংকা, আব্দুল বাতেন বিপ্লব প্রমুখ।
কোরবানীগঞ্জ সাহেব পুকুর লেইন যুব কমিটি : বিজয় দিবসের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে কোরবানীগঞ্জ সাহেব পুকুর লেইন যুব কমিটির উদ্যোগে এক আলোচনা সভা গত ১৬ ডিসেম্বর কোরবানীগঞ্জস্থ সাহেব পুকুর লেইন চত্বরে সংগঠনের উপদেষ্টা আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ২০নং দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনি, বিশেষ অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটির চেয়ারম্যান পেয়ার মোহাম্মদ, মহিলা কমিশনার রুমকি সেনগুপ্ত, রতন বনিক, মো. ইকবাল, এমএ হান্নান, উপস্থিত ছিলেন মো. আবছার, শেখর সরকার, মো. আবু বক্কর, ডালিম দাশ, মোহাম্মদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ শাহজাহান, সভাপতি ইয়াছিন সোহেল, সাধারণ সম্পদাক রেজোয়ান খান রনি, সালাউদ্দীন সুমন, আসিফ হাসান, রাজিব বনিক, মো. দিদার আলম, আরশে আজিম আরিফ, ইসমে আজিম আরিফ, পলাশ দেওয়ানজী, প্রতিক দাশ রাহুল, মো. আশফাক, মো. হাবিব, মো. দেলোয়ার, সুমন সাহা, রণি ঘোষ, মো. মহিউদ্দিন, মো. এজাজ, মো. বাধন, সাদমান হোসেন সাদী, রিট মাইকেল মহাজন, মো. মাইনুদ্দীন প্রমুখ।
ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড : ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের উদ্যোগে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভা গত ১৬ ডিসেম্বর বিকাল ৪টায় ফুলকলি মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানের জিএম এম এ সবুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। ফুলকলির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. আবুল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এ জি এম (একাউন্টস) বাবু শ্যামল দাস, সিনিয়র ব্যবস্থাপক (উৎপাদন) আবুল বশর, সহ-ব্যবস্থাপক সুমি ভট্টাচার্য্য, আবু বক্কর সিদ্দিকী ও মাহবুবুর রহমান।
সভাপতির বক্তব্যে এম এ সবুর বলেন, পাকিস্তানের অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের এক পর্যায়ে স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্বে আসেন শেখ মুজিবুর রহমান। ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আধুনিক অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ শুরু করে। অপারেশন সার্চ লাইটের নামে শুরু করে নির্বিচারে গণহত্যা। এই গণহত্যা শুরু হওয়ার পরপরই ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলার সর্বস্তরের মানুষ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ছিনিয়ে আনে বিজয়। আর এই স্বাধীনতার সুফল প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।
ইউসিটিসি : মহান বিজয় দিবস উদযাপন করল ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চট্টগ্রাম (ইউসিটিসি)। গত ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ক্যাম্পাস চত্বরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বিজয় শোভাযাত্রা শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ইউসিটিসির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ ওসমান, উপ- উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহিদ হোসেন শরীফ, ফিন্যান্স ডিরেক্টর প্রফেসর আব্দুল কাদের তালুকদার এবং বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। সভায় বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা জাতিকে চিরকাল এগিয়ে চলার প্রেরণা যুগিয়ে যাবে। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সৃষ্টিশীল জ্ঞান ভিত্তিক, তথ্য প্রযুক্তি সমৃদ্ধ আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচসিকের ওয়ার্ড সচিব দগ্ধ রিফাতের মৃত্যু
পরবর্তী নিবন্ধকোতোয়ালী থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২