নগরীর যানজটের অন্যতম হটস্পট জিইসি মোড়ে অভিযান চালিয়েছে সিডিএ। জিইসি মোড়ের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ভবন ও শপিং কমপ্লেক্সে পার্কিং ব্যবস্থা, অনুমোদিত নকশা এবং ফুটপাত দখলসহ বিভিন্ন অনিয়ম পর্যবেক্ষণে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদিত নকশা উপস্থাপন করতে বলা হয়। একইসাথে ফুটপাত ও অননুমোদিত স্থাপনা সরিয়ে নিতে সাত দিনের আল্টিমেটাম দেয়া হয়।
গতকাল রোববার বিকেলে সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে জিইসি মোড় সংলগ্ন সেন্ট্রাল প্লাজা, কামাল স্টোরস্থ ভবন, মেরিডিয়ান রেস্টুরেন্টের ভবন এবং সড়কের অপর পাশে সিটি করপোরেশন ভবন থেকে নাসিরাবাদ বয়েজ স্কুল পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ভবনে এ পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পরিদর্শনকালে সেন্ট্রাল প্লাজা কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের কমপ্লেক্সে তিনটি মার্কেট রয়েছে। তবে পরিদর্শনের সময় কোনো মার্কেট কর্তৃপক্ষই সিডিএ অনুমোদিত নকশা উপস্থাপন করতে পারেনি। পরে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের মধ্যে অনুমোদিত নকশা নিয়ে সিডিএ কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট অথরাইজড অফিসারের সঙ্গে দেখা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযানকালে সিডিএ চেয়ারম্যান আশপাশের বিভিন্ন মার্কেট ও বাণিজ্যিক ভবন পরিদর্শন করেন। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অননুমোদিত স্থানে স্থাপিত সাইনবোর্ড এবং ফুটপাত দখল করে রাখা দোকানের বর্ধিত অংশ সরিয়ে নিতে সাত দিনের সময় দেওয়া হয়।
পরিদর্শন শেষে সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘জিইসি মোড় নগরের যানজটের অন্যতম হটস্পট। এখানে বিভিন্ন শপিং কমপ্লেক্স ও বাণিজ্যিক ভবন পার্কিংয়ের জায়গায় বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করেছে। পাশাপাশি পথচারীদের চলাচলের পথ দখল করে দোকানের মালামাল রাখা হয়েছে।’
তিনি বলেন, আজ প্রথমবারের মতো আমরা পরিদর্শনে এসেছি। তাই প্রাথমিকভাবে সতর্ক করে সাত দিনের সময় দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের অনিয়ম সংশোধন করে নিতে হবে। তা না হলে সিডিএর ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।













