চারুশিল্পী, ‘পাপেটম্যান’ হিসাবে খ্যাত পাপেট চর্চার অন্যতম প্রাণপুরুষ মুস্তাফা মনোয়ারকে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তার ছেলে সাদাত মনোয়ার বলেন, শৈশব থেকেই তারা এক অনন্য সাংস্কৃতিক পরিবেশের মধ্যে বড় হয়েছেন। খবর বিডিনিউজের।
তিনি বলেন, আমরা সবসময় এরকম পরিবেশেই বড় হয়েছি। সবসময় দেখতাম আব্বু পাপেট বানাচ্ছেন। উনাকে ছবি আঁকতে তুলনামূলক কম দেখলেও, তার ছবি আঁকার বিশেষত্ব ছিল দারুণ। দেখতাম যে রং–তুলি ধরলেই ম্যাজিকের মতন ছবি হয়ে যেত। এছাড়া সব মাধ্যমেই তার বিচরণ ছিল, অনেক কিছু বানাতেন। মাঝে মাঝে যখন গান করতেন, খুব ভালো গানও গাইতে পারতেন। মুস্তাফা মনোয়ারের হাতে ধরে দেশের পাপেটশিল্প পৌঁছেছিল অনন্য উচ্চতায়। তার সৃষ্টি পাপেট চরিত্র পারুল এর সম্বোধনে তিনি ছিলেন শিল্পী ভাই।
সেই থেকে কয়েক প্রজন্মের শিশু–কিশোরের কাছে তিনি হয়ে ওঠেন শিল্পী ভাই। তিনি পাপেটের মাধ্যমে আনন্দের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন। মুস্তাফা মনোয়ারকে ছোটবেলায় গ্রামবাংলার পুতুলনাচ আকৃষ্ট করেছিল। তাকেই বাংলাদেশে পাপেট তৈরি ও কাহিনী সংবলিত পাপেট প্রদর্শনের পুরোধা বলা হয়। কলকাতা আর্ট কলেজে পড়তে গিয়ে তিনি প্রথম ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের পাপেট দেখেন। পাপেট নিয়ে বহুদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তার আছে। প্রথমবার তিনি তার নিজের পাপেট দলসহ বাংলাদেশের ফোক পাপেট দল ধনমিয়াকে নিয়ে মস্কো ও তাসখন্দ সফর করেন। সেখানে বাংলাদেশের ফোক পাপেট দারুণ প্রশংসিত হয়।










