বাংলাদেশের ঋণ নিয়ে আইএমএফ পজিটিভ : অর্থমন্ত্রী

| রবিবার , ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ at ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে করা ঋণ চুক্তির বাকি অর্থ ছাড় নিয়ে শঙ্কার মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ঋণ কর্মসূচি চালিয়ে নিতে আইএমএফের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তিনি বলেছেন, এখনও আলোচনা চলছে। আলোচনার মধ্যে যেগুলো এখনও রিজলভড হয়নি, সেসব সমাধান হবে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে গত শুক্রবার আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

সংস্কারে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে আইএমএফ ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় অর্থমন্ত্রীর। জবাবে আমির খসরু বলেন, আইএমএফ না করেছে কি না, এটা তো তারা বলতে পারবে। আমি কীভাবে (উত্তর) দিব? আমি তো জানি এই ধরনের কোনো আলোচনাওই জায়গায় তো আমরা যাইনি। অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, আমি তো মনে করি এখনো আলোচনা চলছে। সামনের দিকে যেগুলো এখনও রিজলভ হয়নি, সেগুলো আলোচনার মধ্যে আসবে। এটাই পরিষ্কার সিদ্ধান্ত। এখানে হ্যাঁ, না বলার তো সুযোগ নাই। আর এটা বুঝতে হবে, বিষয়গুলো একটা চলমান প্রক্রিয়া। এটা এক দিনের সিদ্ধান্ত না, এক ঘণ্টার সিদ্ধান্ত না। এটা চলতেই থাকবে, আলোচনা১৫ দিন পরেও চলবে। চলতে থাকবে। তো এগুলো ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেস। চলতে থাকবে। আমির খসরু বলেন, এর মধ্যে সমাধান হবে। এর মধ্যে আমাদের কাজও চলতে থাকবে। এক সাংবাদিক জানতে চান, ঋণের বাকি কিস্তিগুলোর অর্থ ছাড় হবে তো? হ্যাঁ সূচক মাথা নেড়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা সবার মধ্যে পজিটিভিটিই দেখছি। খবর বিডিনিউজের।

আইএমএফবিশ্ব ব্যাংকের বসন্তকালীন সভা চলছে। সেখানে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রতিনিধি দল বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যেই খবর আসে, রাজস্ব খাত ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার কার্যক্রমে সংস্থাটির শর্ত পূরণ না হওয়ায় পরবর্তী কিস্তি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএমএফ। একই সঙ্গে নতুন কর্মসূচির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে নতুন কোনো আরও কঠোর শর্তের বেড়াজালে পড়ার শঙ্কার কথা তুলে ধরেছে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। তবে বসন্তকালীন সভার চতুর্থ দিনে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বিশ্ব ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) অর্থায়ন ও ঋণ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে খুবই ইতিবাচক মনোভাবে রয়েছে। তবে ঋণ কর্মসূচির আওতায় তারা কত অর্থ ছাড় করবে বা কী শর্ত দেবে, সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, সবার অ্যাটিটিউড এখানে খুবই পজিটিভএক কথায় বলতে গেলে। তবে প্যাকেজটা কী হবে, সেটা অপেক্ষা করতে হবে। সেটা তো এখন আমি বলতে পারব না। এটা পজেটিভ হচ্ছেকারণ তারা বাংলাদেশের অর্থনীতি, বিএনপির পলিসির সাথে তারা এলাইন্ড। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, বিএনপির মেনিফেস্টোর সাথে তারা এলাইন্ড। যেহেতু তারা এলাইন্ড, সেহেতু তারা সাপোর্ট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধইরানের নৌবাহিনী শত্রুদের নতুন পরাজয়ের স্বাদ দিতে প্রস্তুত : মোজতবা খামেনি
পরবর্তী নিবন্ধসরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : মাহদী আমিন