উইকেটে সবুজ ঘাস। একাদশে তিন পেসার। স্লিপে একাধিক ফিল্ডার। উইকেটের পেছনে কখনো কখনো চার স্লিপের সঙ্গে দেখা মিলছে গালির ফিল্ডারও। এমন দৃশ্য সচরাচর ইংল্যান্ড কিংবা অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে দেখা যায়। কিন্তু সে দিন যেন বদলেছে। বাংলাদেশও এখন এমন দৃশ্য দেখাতে পারে। পেসাররাও এখন বাংলাদেশ দলের ভরসা হয়ে উঠছে। এখন উইকেট নেওয়াতেও এগিয়ে পেসাররা। এই টেস্টে যেমন প্রথম ইনিংসে আফগানিস্তানের ১০ উইকেটের ছয়টি নিয়েছেন তারা। দ্বিতীয় ইনিংসেও এখন অবধি যাওয়া দুই উইকেটই নিয়েছেন পেসাররা। অথচ এক সময় একাদশে থাকতো এক বা বড়জোর দুজন পেসার। মিরপুরে ঘাসের উইকেট ছিল স্বপ্নের মতো ব্যাপার। মোমিনুল হক অধিনায়ক হওয়ার পর দৃশ্যপট বদলাতে থাকে ধীরে ধীরে। পেসারদের ‘প্রমোট’ করেন তিনি। তার অধীনে পেসারদের দারুণ পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে তাদের মাটিতে টেস্টে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মোমিনুল এখন আর নেতৃত্বে নেই। টানা খারাপ পারফরম্যান্স ও সমালোচনায় অধিনায়কত্ব থেকে সরানো হয় তাকে। তবে গতকাল তিনি আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টের তৃতীয় দিনশেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন মোমিনুল। এর আগেই টেস্ট ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি তুলে নেন। মোমিনুলকে প্রশ্ন করা হয়েছিল পেসারদের এমন করতে দেখে কেমন লাগে। জবাবে বললেন দারুণ লাগে। আফসোস হয় কি না জানতে চাইলে মোমিনুল বলেণ কোনো আফসোস কাজ করে না। সন্তুষ্টি কাজ করে। অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর মোমিনুল পেয়েছেন প্রথম সেঞ্চুরি। নেতৃত্ব ছাড়ায় কি এখন একটু হালকা হয়ে খেলতে পারছেন? জবাবে তিনি বলেন ক্যাপ্টেন্সি না থাকলে একটা সুবিধা হয় যে এত এত কিছু নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। খালি ব্যাটিংটাতে মনোযোগ দিলেই হয়। এখন সেটাই করার চেষ্টা করছি। তবে বাংলাদেশের পেসারদের উচ্ছসিত প্রশংসা করলেন মোমিনুল। এখন আমরাও এগিয়ে যাচ্ছি।












