ঈদের আগে টিসিবি ট্রাকসেলে ভর্তুকি মূল্যে ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রি শুরু করলেও ঈদের পর আবার বন্ধ হয়ে গেছে। তবে আবার কবে ট্রাকসেল শুরু হবে তা জানাতে পারেনি টিসিবি চট্টগ্রাম অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ঈদের আগে ১০ দিনের জন্য ট্রাকসেল শুরু করেছিল। প্রতিদিন নগরীর ২০টি পয়েন্টে ক্রেতাদের মাঝে সাশ্রয়ী মূল্যে ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডাল বিক্রি করেছিল টিসিবি। যাদের কাছে টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড নেই তাদের জন্য সরকার ট্রাকের মাধ্যমে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ন্যায্যমূল্যের পণ্যবিক্রির উদ্যোগ নেয়।
এদিকে টিসিবির ট্রাকসেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ টিসিবির ন্যায্যমূল্যের পণ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ট্রাক থেকে একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ লিটার ভোজ্যতেল, ১ কেজি চিনি ও ২ কেজি মসুর ডাল কিনতে পারেন। এর মধ্যে প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১৩০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৮০ টাকা ও প্রতি কেজি মসুর ডাল ৭০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। জানা গেছে, সব পণ্য একসঙ্গে কিনলে একজন ক্রেতার খরচ হয় ৪৮০ টাকা। খুচরা বাজার থেকে এসব পণ্য কিনতে ৭০০ থেকে ৭২০ টাকা লাগে। অর্থাৎ সাশ্রয় হবে ২২০–২৪০ টাকা।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) চট্টগ্রামের অফিস প্রধান মিশকাতুল আলম আজাদীকে জানান, ট্রাকসেল ঈদের আগে পর্যন্ত চালু ছিল। এখন বন্ধ। কবে চালু হবে এখন বা যাচ্ছে না। তবে ফ্যামিলি কার্ডধারীরা প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পণ্য পাচ্ছেন।
জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডধারীরা প্রতিমাসে নির্দিষ্ট ডিলারদের কাছ থেকে তাদের নির্দিষ্ট পণ্য–প্রতি কেজি ৩০ টাকা করে ৫ কেজি চাল, ৮০ টাকা দামে ১ কেজি চিনি ও ৭০ টাকা দামে ২ কেজি মসুর ডাল, প্রতি লিটার ১৩০ টাকা দামে ২ লিটার ভোজ্যতেল পেয়ে থাকেন।
টিসিবির চট্টগ্রাম অফিস থেকে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরীতে এখন টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডে প্রতি মাসে পণ্য পাচ্ছেন ১ লাখ ৫ হাজার পরিবার। আর চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডে প্রতিমাসে পণ্য পাচ্ছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার পরিবার।












