দীর্ঘ ১৭ বছর পর নানা আয়োজনে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলা অডিটোরিয়াম মাঠে ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান হাবিব। এতে উপজেলার ৪ ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা এসে যোগ দেন।
সম্মেলন প্রধান অতিথি ছিলেন ২৯৮ নম্বর খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, সরকারি উন্নয়নের সকল বরাদ্দ যথাস্থানে পৌঁছে দিতে হবে। অসহায়, হতদরিদ্র মানুষের হয়রানি বা দুর্ভোগ হয় এমন কাজ করা যাবে না। সামাজিক বিচারের নামে ভুক্তভোগী কাউকে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। অপচয়রোধ করে সরকারের উন্নয়ন চালিয়ে যেতে হবে। অতীতে সরকারি উন্নয়ন কাজের অর্থের ব্যাপক অপচয়, দুর্নীতি হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়ের ভাগ্যোন্নয়নে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। ছেলে–মেয়ে, স্ত্রীকে ধর্মীয় রাজনীতিতে জড়াতে দিবেন না। ধর্মীয় রাজনীতির আড়ালে জামায়াতে ইসলামীর নোংরা কর্মকাণ্ড, অপরাজনীতি, মা–বোনদের ইজ্জতহরণকারী দল থেকে সতর্ক থাকতে হবে। সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর এক সাংসদের অসামাজিক কার্যক্রম দেশবাসী দেখতে পেয়েছে। তারা ধর্মীয় রাজনীতির আড়ালে অতীতেও মা–বোনদের ইজ্জত নিয়ে লীলাখেলা করেছে। এদেরকে বয়কট করার সময় এসেছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জাকিয়া জিন্নাত বীথি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএন আফছার, খাগড়াছড়ি জেলা মারমা ঐক্য পরিষদের সভাপতি ম্রাসাথোয়াই মারমা, জেলা বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক এম এ করিম, জেলা বিএনপির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক এনাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও মানিকছড়ি উপজেলা বিএনপির সমন্বয়ক মোশাররফ হোসেন, জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন দীপ্ত, সহকোষাধ্যক্ষ জহির আহমেদ, ওয়াদুদ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের প্রধান সংগঠক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি মিজানুর রহমান ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মীর হোসেন।
পরে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক মোশাররফ হোসেন প্রধান অতিথির অনুমতিক্রমে ত্রিবার্ষিক কাউন্সিলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান হাবিবকে সভাপতি ও সদস্য সচিব মো. মীর হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. নুরুজ্জামান মাস্টারকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করেন।












