‘ট্রেড লাইসেন্স করে দেয়ার নাম করে নিজ কর্মক্ষেত্রের বাইরের প্রতিষ্ঠানের মালিকদের থেকে নিয়েছেন টাকা। কিন্তু লাইসেন্স করে দেননি। উল্টো যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন তাদেরকেই হয়রানি করছেন’। এমন অভিযোগ উঠার পর মো. নিজাম উদ্দিন নামে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) রাজস্ব শাখার এক অনুমতি পরিদর্শককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টির তদন্তে একজন নির্বাহী কর্মকর্তাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে তার নিজ কর্মস্থল দক্ষিণ আগ্রাবাদ (২য় অংশ) রাজস্ব সার্কেল–৭ থেকে বদলি করে চসিকের সচিবালয় শাখায় সংযুক্ত করা হয়। গত মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক অফিস জারি করেছেন চসিকের উপ–সচিব মোহাম্মদ মঈনুল হোসেন চৌধুরী।
এ বিষয়ে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী মো. আশরাফুল আমিন আজাদীকে জানান, মো. নিজাম উদ্দিন–এর বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে লাইসেন্স করে না দেয়ার কয়েকটি লিখিত অভিযোগ এসেছে। যেহেতু অভিযোগ সুনির্দিষ্ট, তাই অভিযোগ তদন্ত করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কারণ দর্শানো নোটিশ যা বলা হয় : মো. নিজাম উদ্দীন রাজস্ব বিভাগ কর্তৃক লাইসেন্স প্রদানের লক্ষ্যে সেবা গ্রহীতাদের নিকট থেকে নিয়মমাফিক অথবা নির্ধারিত অর্থ গ্রহণ করা সত্ত্বেও যথাসময়ে তাদের লাইসেন্স সরবরাহ করেননি। এছাড়াও নিজের সার্কেল বা কর্মক্ষেত্রের বাইরে অবস্থিত এলাকার মালিকদের থেকে লাইসেন্স তৈরি করে দেওয়ার কথা বলে অর্থ গ্রহণ করেছেন। পরবর্তীতে সময়মতো লাইসেন্স সরবরাহ না করে সেবা গ্রহীতাদের দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করছেন বলে বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যায়। যা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্মচারী চাকরি বিধিমালা, ২০১৯ এর বিধি ৪১ মতে চরম দায়িত্বহীনতা ও অসদাচরণের শামিল এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।
নোটিশে নিজামকে তার কার্যকলাপের জন্য কেন তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা অত্র নোটিশ প্রাপ্তির ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়।









