কক্সবাজারের পথে চলাচলকারী ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ থামাতে ও জড়িতদের চিহ্নিত করতে বগিতে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানো হয়েছে। শুরুতে পরীক্ষামূলকভাবে শনিবার থেকে পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি এসি বগির উভয় পাশে ক্যামেরা লাগানো হয়। তবে যে বগিটিতে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছিল গতকাল রোববার সেই বগিটির এসি কাজ না করায় বগিটি ট্রেন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নতুন করে পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের অন্য একটি বগিতে সিসি ক্যামেরা আবার লাগানো হবে। গতকাল রাতে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি এসি বগিতে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। চলন্ত অবস্থায় কেমন ডাটা কালেক্ট করতে পারে এবং রেটিং কেমন সেটা আগে দেখতে চাই। ৭০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলার সময় ছবি কতটা ভাল আসে সেটা যাচাই করে দেখা হবে। ভালো ফল পেলে অন্য ট্রেনেও সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে।’ খবর বিডিনিউজের।
পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে ও জড়িতদের চিহ্নিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন পূর্ব রেলের মহাব্যবস্থাপক। চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা প্রায় নিয়মিত ঘটে। এসব ঘটনায় পাথর ও ইটের টুকরোর আঘাতে যাত্রীরা আহত হন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ট্রেনও। নিয়মিত প্রচার চালিয়েও ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধ করা যায়নি। ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দিতে পারলে আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিল রেলওয়ে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।
রেলওয়ে আইন ১৮৯০ এর ১২৭ ধারায় অনুসারে, যাত্রীদের ক্ষতি হতে পারে জেনেও কেউ যদি ট্রেনে পাথর ছোড়ে, তাহলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বনিম্ন ১০ বছরের সাজার বিধান আছে।













