রেল সেবার মান উন্নয়নে রেল স্টেশনসহ রেলওয়ের বিভিন্ন স্থাপনা এবং চলন্ত ট্রেনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার জন্য কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নির্দেশনা দিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম। এসময় তিনি যাত্রী সেবার মান উন্নয়নে সকল কর্মকর্তা–কর্মচারীদের আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান।
গতকাল চট্টগ্রামের সিআরবিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে এক প্রশিক্ষণে এই নির্দেশনা দেন তিনি। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশ রেলওয়েকে তামাকমুক্ত করার উদ্যোগ (আইএমবিআরটিএফ) তৃতীয় পর্যায় প্রকল্পের উদ্যোগে প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বলেন, রেল সেবার মান উন্নয়নে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। রেলওয়ে প্রাঙ্গণে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, রেলওয়ে স্টেশন ও ট্রেনে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে যাত্রীদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের মিশন ও ভিশনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। সচিব স্টেশনসহ রেলওয়ের বিভিন্ন স্থাপনা এবং চলন্ত ট্রেনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা–কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
প্রশিক্ষণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০২৬–এর সংশোধনী, রেলওয়ে আইন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়েকে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকমুক্ত রেল পরিষেবায় রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে কর্মরত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রেলওয়ে হাসপাতাল, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি), রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি), বিভিন্ন স্টেশনের কর্মকর্তা–কর্মচারী এবং চলন্ত ট্রেনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মচারীসহ মোট ২৫ জন অংশগ্রহণ করেন। ধূমপান ও তামাকমুক্ত রেল পরিষেবা নিশ্চিত করতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫–এর সংশোধনী আইন, ২০২৬, রেলওয়ে আইন, ১৮৯০ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক নির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।












