আইসিসি অনূর্ধ্ব–১৯ নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের তৃতীয় আসর আগামী বছর ২০২৭ এর জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ এবং নেপাল এই টুর্নামেন্টের স্বাগতিক দেশ হবার কথা রয়েছে। ১৬ টি দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। এদিকে স্বাগতিক বাংলাদেশে ম্যাচ আয়োজনে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামও ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ইতিমধ্যে মাঠ চেয়ে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাছে চিঠি দিয়েছে। আইসিসির বেশ কজন কর্মকর্তা গত শুক্রবার চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম এবং সাগরিকাস্থ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শন পর্বে ছিলেন আইসিসির স্পোর্টস লজিস্টিক কর্মকর্তা জেকোভাস ক্রিস্টিয়ান ভ্যান ডার মারউই, গ্যারেথ রবিন ওয়েভার, আইসিসি অফিসিয়াল টবি লামসডেন, ডোরেইন ক্লারেন্স, আইসিসি টিভি অফিসিয়াল অ্যামি এলিজাবেথ গ্যারেথ, পিয়ুশ পংকজ, টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর নিথিশা কোথারী, বিসিবির হেড কিউরেটর টমি হ্যাম, বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির সদস্য সচিব মাজহারুল ইসলাম অমি, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কিউরেটর জাহিদ রেজা বাবু। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেছেন, মাঠে যেহেতু ফুটবল খেলা হয়েছে তাই মাঠকে প্রস্তুত করতে সময়ের প্রয়োজন হবে। একাডেমি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পরই মাঠের প্রস্তুতি শুরু করতে পারে বিসিবি। মাঠের বাইরের কাজ যেমন ড্রেসিং রুম, প্যাভেলিয়নে চেয়ার বসানো এবং গ্যালারিসহ অন্যান্য সংস্কারমূলক কাজে অবশ্য চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা আগেই হাত দিয়েছে। এদিকটাতে বিসিবি কম চিন্তা করতে পারে। আইসিসি এবং বিসিবি কর্মকর্তারা ভাবছেন,হাতে যে সময়টা আছে তাতে মাঠের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব।










