সরকারের জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেছেন, একদিনে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণ এটি কম কথা নয়। তাও আবার চট্টগ্রামের ১৬টি উপজেলায়। দেশে এ প্রথমবারের মত চট্টগ্রামের ১৬ উপজেলায় সকাল থেকে ৯০ হাজার ৯৯৯টি গাছ লাগানোর পর সর্বশেষ গাছটি সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট ডিসি পার্কে রোপণ করা হয়। এর মধ্য দিয়ে একদিনে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণের যে কর্মসূচি ছিল তা সম্পন্ন করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ডিসি পার্কে শেষ গাছটি রোপণকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, গাছ রোপণ করার পর সেগুলোকে সতেজ ও বাঁচিয়ে রাখাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। এ জন্য নষ্ট অথবা দুর্বল চারার পরিবর্তে নতুন চারা লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। বৃষ্টি এখনো হচ্ছে চট্টগ্রামে। তাই চারাগুলো অবশ্যই বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। প্রকৃতি সুরক্ষা ও আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ গড়াই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। এ জন্য তুলনামূলক বড় ও মানসম্মত চারা সংগ্রহ করে তা রোপণ করা হয়েছে।
‘এক দিনে লক্ষ বৃক্ষ– সবুজ পরিবেশ আমাদের লক্ষ্য’– এ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ১৬টি উপজেলায় একযোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। তার পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে অন্তত অতিরিক্ত ১০ থেকে ২০ হাজার চারা গাছ।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মনোয়ারা বেগম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরিফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মো. কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. সাইদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফখরুল ইসলাম ও সহকারী কমিশনার ভূমি ফজলে রাব্বি।
এর আগে একদিনে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং প্রথম গাছটি লাগানো হয় চট্টগ্রামের জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে। শেষে সর্বশেষ গাছটি রোপণ করা হয়েছে ডিসি পার্কে।











