দীর্ঘ অপেক্ষার পর সন্দ্বীপ নৌরুটে আবারও সি–ট্রাক চালু হলেও প্রথম ট্রিপেই নাব্যতা সংকটের কারণে আটকে গেছে। গুপ্তছড়া ঘাট থেকে চট্টগ্রামের বাঁশবাড়িয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার পর ঘাটের চরে কাদায় আটকে যায় সি–ট্রাক এসটি নিঝুম দ্বীপ। পরে এতে থাকা প্রায় ৩০০ যাত্রীকে লালবোটে করে তীরে নিয়ে আসা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে এ ঘটনা ঘটে। সন্দ্বীপ নৌরুটে দ্বিতীয়বারের মতো যুক্ত হওয়ার পর এটিই ছিল এসটি নিঝুম দ্বীপের প্রথম ট্রিপ। খবর বাংলানিউজের।
যাত্রীরা জানায়, দুপুর ৩টার দিকে গুপ্তছড়া ঘাট থেকে বাঁশবাড়িয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয় সি–ট্রাকটি। বিকেল ৪টায় বাঁশবাড়িয়া ঘাট থেকে আবার সন্দ্বীপের উদ্দেশ্যে ফেরার কথা ছিল। তবে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই গুপ্তছড়া চ্যানেলের চরে আটকে যায় সেটি। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ভোগান্তি দেখা দেয়। পরে লালবোটের মাধ্যমে একে একে যাত্রীদের তীরে নেওয়া হয়।
নিয়মিত এই নৌরুটে যাতায়াতকারী কামাল উদ্দিন বলেন, সি–ট্রাক চালু হওয়ায় যাত্রীরা খুশি হলেও ঘাট ও চ্যানেলে পর্যাপ্ত ড্রেজিং না থাকলে এর সুফল পাওয়া কঠিন। সি–ট্রাক চলাচলের উপযোগী রাখতে নিয়মিত ড্রেজিংয়ের দাবি জানান তিনি।
সি–ট্রাকটির চালক ইকরামুজ্জামান বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে ভাটার সময়ও এখানে প্রায় ৯ ফুট পানি ছিল। অথচ এখন পূর্ণ জোয়ারেও সি–ট্রাক চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। নাব্যতা সংকটের কারণে গুপ্তছড়া চ্যানেল থেকে বের হওয়া নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।
নাব্যতা সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রশিদ খন্দকার বলেন, শুক্রবার সকালে গুপ্তছড়া ঘাটে বয়া দেওয়া হচ্ছে। ড্রেজারের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বর্তমানে ড্রেজিং বন্ধ রয়েছে। ত্রুটি ঠিক করে শিগগিরই ড্রেজিং কার্যক্রম আবার শুরু করা হবে।












