কাপ্তাই উপজেলায় প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাস্তাঘাট, হাটবাজার, নালা নর্দমা, কাপ্তাই লেক ও কর্ণফুলী নদীর তীরসহ সর্বত্র যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা সকল প্রকারের প্লাস্টিক বর্জ্য, পলিথিন, বোতলসহ আবর্জনা অপসারণ শুরু হয়েছে। অভিযান শুরু করেছে সেনাবাহিনীর কাপ্তাই জোন। কাপ্তাই জোনের সেনা সদস্যরা আর্মি ক্যাম্প এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমুহ, আশপাশের জনসমাগমস্থলসহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল ও পরিবেশ দূষণকারী অন্যান্য বর্জ্য নিজেরা সংগ্রহ করে বস্তায় ভরে নিরাপদ স্থানে ফেলে দিচ্ছেন। এসব বর্জ্য পরিষ্কারের সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্লাষ্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সর্বস্তরের জনগণকে সচেতন করেন। জনস্বার্থে সেনাবাহিনীর বর্জ্য অপসারণ দেখে উপজেলার সাধারন জনগণ উদ্বুদ্ধ হন এবং তাঁরা রাস্তাঘাটে যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য ও যে কোন ময়লা আবর্জনা এখন থেকে আর যেখানে সেখানে ফেলবেন না বলে জানান।
এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী, কাপ্তাই আল আমীন নূরিয়া মাদ্রাসা, কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়, শহীদ শামসুদ্দীন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তা কর্মচারি, কাপ্তাই জেটিঘাটের ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণ। কাপ্তাই জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল নাজমুল কাদির শুভ বলেন, কাপ্তাইকে সৌন্দর্য্যের শহর হিসেবে গড়ে তুলতে এবং সর্বত্র পরিচিত করতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি কাপ্তাইয়ে বসবাসকারি সর্বস্তরের জনসাধারণ, সকল জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, হেডম্যান কারবারীসহ সকলকে সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত অভিযান সফল করার আহবান জানান।












