কর্ণফুলী ও হালদার দূষণ ঠেকাতে শিল্পকারখানার বর্জ্য ও অন্যান্য ক্ষতিকর বর্জ্য যাতে নদীতে না যায়, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, কর্ণফুলী ও হালদা নদী ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। তিনি গতকাল রোববার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘০৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম–৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
চট্টগ্রামের পরিবেশ দূষণ প্রসঙ্গে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, শিল্পায়ন যেমন প্রয়োজন, তেমনি পরিবেশ সুরক্ষাও জরুরি। শিল্প ও পরিবেশের মধ্যে একটি উইন–উইন পরিস্থিতি তৈরি করতে সরকার কাজ করছে। শিল্পকারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ইটিপি পরিচালনা এবং নদী–খাল দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্ছেদসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে ইটভাটায় মাটির ব্যবহার কমাতে খাল খনন থেকে পাওয়া উপযোগী মাটি ব্যবহারের একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েও কাজ করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড় ও বনভূমি রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনকে আরো সক্রিয় হতে হবে। জনগণের মধ্যেও পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।
শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, দেশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষরোপণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ও অধিক পানি শোষণকারী ইউক্যালিপটাস, আকাশমণিসহ কিছু প্রজাতির বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের পর পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।












