কক্সবাজার শহরতলীর জেলা কারাগার ও পুলিশ লাইন সংলগ্ন বাড়ি থেকে নুর মোহাম্মদ (১৯) নামের এক যুবককে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ১২/১৩ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ওই যুবকের বসতঘরের দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে পরিবার সদস্যদের মারধর ও জিম্মি করে এই অপহরণের ঘটনা ঘটায়।
এসময় বাধা দিতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের বেধড়ক মারধরে মা তরিকা বেগম ও পিতা আয়ূব আলী আহত হন।
এই ঘটনায় অপহৃত যুবক নুর মোহাম্মদের মা তরিকা বেগম বাদি হয়ে আজ বুধবার (২৩ মার্চ) সকালে কক্সবাজার সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অপহৃত যুবক নুর মোহাম্মদ পেশায় সমুদ্র সৈকতের একজন হকার।
তরিকা বেগমের অভিযোগ, রাত ১টার দিকে নুর মোহাম্মদসহ পরিবারের পাঁচ সদস্য যখন ঘুমাচ্ছিলেন তখন অতর্কিতভাবে ১২/১৩ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তার বসতঘরের দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে। পরে সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে তার ছেলে নুর মোহাম্মদকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় সন্ত্রাসীদের বাধা দেয়ায় তিনি ও তার স্বামী আয়ূব আলীকেও লাথিঘুষি মারা হয়।
সন্ত্রাসীদের মারধরে এক পর্যায়ে তিনি বেহুঁশ হয়ে পড়লে ৫টি মোটরসাইকেল যোগে আসা সন্ত্রাসীরা তার ছেলেকে তুলে নিয়ে যায়।
তরিকা বেগম দাবি করেন, তার ছেলের অপরণকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে তিনি শনাক্ত করতে পেরেছেন। তাদের মধ্যে শহরের নূনিয়াছড়ার মোস্তফা নামের একজন যুবকও রয়েছে। অপহরণের পর তার ছেলেকে রাতে ওই যুবকের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সকালে একটি বরফকলে নিয়ে রাখা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন।
এরপর পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
তবে এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের ওসি শেখ মুনীরুল গিয়াস আজ রাত ৯টার সময় বলেন, “অপহরণের অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা হয়নি।”














