এদেশের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। ঐ সমস্ত মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। আইনগত সহায়তা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। দ্রুত সময়ে প্রান্তিক বিচারপ্রার্থী জনগণের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ করতে হবে।
গতকাল বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় জেলা জজ আদালত চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কাজী আবদুল হান্নান। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) সুব্রত দাশের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এজিএম মনিরুল হাসান, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহাগ তালুকদার, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ–১ম আদালতের বিচারক মো. আরফাতুল রাকিব, যুগ্ম জেলা জজ মুমিনুন্নেছা খানম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সিভিল জজ লাবণী শর্মা ও মো. জোবায়ের রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মৌনম বড়ুয়া, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ–পরিচালক আতিয়া চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন, সরকারি কৌসুলী (জিপি) মোহাম্মদ কাসেম চৌধুরী, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক, মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মফিজুল হক ভূঞা প্রমুখ।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার জানান, বিগত ৮ মাসে ১৪৩৬টি আবেদনে (মামলায়) আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তদ্মধ্যে ২৭৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এ সময়ে ৮০৬টি প্রি–কেইস এডিআর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং এডিআরের মাধ্যমে ৮৮৪ বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আদালত হতে পোস্ট কেইস বিরোধ মীমাংসার জন্য ৬৩টি মামলা রিসিভ হয়েছে এবং ৭৫টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বিরোধ মীমাংসার মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












