সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদ–ইউপির নির্বাচন এইচএসসি পরীক্ষার আগে শেষ করার বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সবাই সম্মত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি এও বলেছেন, ভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশন–ইসি আগের পরিকল্পনা থেকে সরে আসেনি। সংশ্লিষ্টদের মতামত পাওয়ার পর সাচিবিক কাজের সমন্বয় ও কমিশন সভায় আলোচনা করে ভোটের সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করার কথা বলেছেন নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ।
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে ইসির অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। বেলা আড়াইটা থেকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক হয়। সেখানে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগ, দপ্তর, বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। খবর বিডিনিউজের।
বিকালে নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংয়ে এসে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, আজকের সভায় সবাই একমত হয়েছেন–স্থানীয় সরকারের ইউপি নির্বাচন পারত পক্ষে ৬ জুনের আগে বা এইচএসসি পরীক্ষার আগে শেষ করতে হবে। সাইড লাইনের দুয়েকটা কাজ সমন্বয় করে যত দ্রুত সম্ভব সুনির্দিষ্ট তারিখ জানিয়ে দেব। গেল সোমবার ইসি প্রাথমিকভাবে সাত ধাপে নির্বাচনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে সম্ভাব্য ভোটের দিন জানিয়েছে। তারা নভেম্বরে ভোট শুরু করে মে মাসে শেষ করতে চায় সাড়ে চার হাজার ইউপির ভোট। প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর। চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ আগামী বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপ ২৭ মে–ভোট করার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, আমরা বলেছিলাম এগুলো টেনটেটিভ টাইম, ১৭ সেপ্টেম্বরের মিটিংয়ের পরে চূড়ান্ত করব। আমরা সামান্যতম ওখান থেকে সরে আসিনি। আজকে যে তথ্য উপাত্ত পেয়েছি এটার পরে চূড়ান্ত করব।













