সেই লুসাই পাহাড় থেকে কলকল চলচল
চলা এক স্রোতস্বিনী কর্ণফুলী।
মায়াবী শীতল সবুজ আচ্ছাদনে মিশে থাকা কর্ণফুলী।
কখনো ঝর্না, কখনো উপত্যকা, কখনো আঁকাবাকা
পথ বেয়ে বীর দর্পে গড়িয়ে চলে
উত্তাল সাগরের শূন্যে হারানোর উচ্ছ্বাসে।
এক হাতে চির সবুজের গ্রামীণ সংস্কৃতি,
অপর হাতে শহুরে প্রযুক্তির উৎকর্ষ আধুনিকতা।
যাকে মাতৃস্নেহে, কখনো প্রেমিকের বাহুডোরে
আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে আমার প্রাণের বীর চট্টলা।
কী নেই তার!
পাহাড়, সমুদ্র, উপত্যকা, বনবনানীর বিশাল সমারোহ।
এক সময়ের পরীর পাহাড়,
পীর আউলিয়ার আবাসস্থল চাটি গাঁও
প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যে ভরপুর এক সাগর কন্যা চট্টগ্রাম।
নীল সাগরের আছড়ে পড়া ঢেউয়ের কলতান
মন কেড়েছে বিশ্ববাসীর।
অর্থ–বাণিজ্যের ভূগর্ভস্থ প্রধান ফটক।
উপমহাদেশের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি নয়!
সাথে রয়েছে শিক্ষা, শিক্ষিত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
দামামা বাজানো রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা।
রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি আঞ্চলিকতা।
ঐতিহ্যের খোরাক ভোজনরসিকতা।
এতো এতো এত্তো সুন্দরের মাঝে অবলীলায় হারানো যায়,
যা আমার আছে, আমাদের আছে, আমার দেশের আছে।
নৈসর্গিক লীলাভূমি অপার মুগ্ধতায় ভরপুর আমার চট্টগ্রাম।










